বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সকালবেলা খালি পেটে কাঁচা হলুদের ৯টি আশ্চর্যজনক উপকারিতা
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রাচীনকাল থেকে হলুদ রান্না, রূপচর্চা ও আচার-অনুষ্ঠানে অপরিহার্য, তবে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে এর ব্যবহার এখনও যথাযথভাবে আলোচিত হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে কাঁচা হলুদ ও মধু বা দুধের সঙ্গে গ্রহণ করলে শরীরে নানা উপকার দেখা যায়।
১. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা: হলুদের প্রধান সক্রিয় উপাদান কারকিউমিন দ্রুত শোষিত হয়ে চর্বি সঞ্চয়কে বাধা দেয়, ফলে অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে।
২. ত্বকের যত্ন: কাঁচা হলুদকে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে ফেস প্যাক হিসেবে ব্যবহার করলে নিয়মিত লাগালে বলিরেখা হ্রাস পায়। একই সঙ্গে শুকনো কমলার খোসা ও হলুদ একসাথে বাটিয়ে স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করলে ত্বকের জেল্লা পুনরুদ্ধার হয়।
৩. ক্যান্সার প্রতিরোধ: হলুদে উপস্থিত ফিনোলিক যৌগিক কারকিউমিনকে ক্যান্সার প্রতিরোধী গুণের জন্য স্বীকৃত করা হয়েছে। যদিও গবেষণা চলমান, তবে প্রাকৃতিক প্রতিরোধের অংশ হিসেবে এটি উল্লেখযোগ্য।
৪. ব্রণ ও ত্বকের সমস্যা: কাঁচা হলুদকে আঙ্গুরের রস ও গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্রণ আক্রান্ত স্থানে লাগালে দ্রুত পরিষ্কার হয় এবং সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।
৫. সূর্যের তাপে ট্যান ও পোড়া: হলুদের বাটার মধ্যে দই মিশিয়ে ত্বকে লাগালে ট্যানের রঙ হালকা হয় এবং পোড়া ভাব দূর হয়।
৬. সর্দি-কাশি উপশম: কাঁচা হলুদের এক টুকরো মুখে রাখলে কাশি কমে; এছাড়া গরম দুধে হলুদ গুঁড়ো ও গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে পান করলে শ্বাসযন্ত্রের স্বস্তি পাওয়া যায়।
৭. জয়েন্ট ও পেশীর ব্যথা: দুধের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে পান করলে গা-হাত পায়ে ব্যথা কমে; জয়েন্টের ব্যথার ক্ষেত্রে হলুদের পেস্ট তৈরি করে প্রলেপ দিলে আরাম পাওয়া যায়।
৮. রক্ত শুদ্ধিকরণ: আয়ুর্বেদিক সূত্রে হলুদ রক্ত পরিষ্কার করে, ফলে চর্মরোগের উপসর্গ হ্রাস পায় বলে ধারণা করা হয়।
৯. সামগ্রিক শক্তি বৃদ্ধি: নিয়মিত কাঁচা হলুদ গ্রহণ শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়।
বিডি প্রতিদিন/এএম
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম রোমিও, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
কপিরাইট © ২০২৬ করাপশন নিউজ বিডি ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মতামত