বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
হারমিট ডে: একা থাকলেও কেন মন হবে তাজা?
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সারাদিন নোটিফিকেশন, কাজের চাপ ও সামাজিক মিডিয়ার গর্জনে ক্লান্তি বোধ করছেন? ‘হারমিট ডে’—একান্তে নিজেকে রিফ্রেশ করার দিন, এখনই শুরু করুন।
একাকিত্ব মানে মন খারাপ করে বসে থাকা নয়; এটি নিজের সঙ্গে মানসিক পুনর্নবীকরণ করার সুযোগ। নিজের পছন্দের খাবার, সিনেমা বা বই হাতে নেয়া, ফোনের নোটিফিকেশন বন্ধ করে আরাম করা—এগুলো সবই একা সময়ের মধুর দিক।
‘হারমিট ডে’ শব্দটি মূলত ধর্মীয় সাধকদের একাকী জীবনের সঙ্গে যুক্ত। আয়ারল্যান্ডের সেন্ট কোলম্যান ম্যাক ডুয়াগ (৬শ শতাব্দীর গ্যালওয়ে) সাত বছর বারেন অরণ্যে একা বসে ঈশ্বরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করায় তিনি ‘হারমিট’ নামে পরিচিত। ক্যাথলিক গির্জা তার স্মরণদিবস ২৭ অক্টোবর পালিত করে; আধুনিক সময়ে এই দিনটি আধুনিক জীবনের কোলাহল থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে নিজেকে সময় দেওয়ার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
একাকী সময়ের উপকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত। স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমে, মনোযোগের ক্ষমতা বাড়ে এবং সৃজনশীলতা উন্মোচিত হয়। তবে দীর্ঘস্থায়ী নিঃসঙ্গতা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে; তাই একা থাকা ও প্রিয়জনের সঙ্গের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।
‘হারমিট ডে’ সঠিকভাবে কাটাতে প্রথমে নোটিফিকেশন বন্ধ করুন, জরুরি কলের ব্যবস্থা রাখুন। আপনার পছন্দের সিনেমা বা সিরিজ বাছুন, নিজের জন্য রান্না করুন অথবা প্রিয় খাবার অর্ডার করুন। এক কাপ চা বা কফি, সঙ্গে একটি ভালো বই—এগুলোই একা সময়কে উপভোগ্য করে তুলবে। গান শোনা, জানালা দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখা অথবা শুধু নিঃশ্বাসের প্রশিক্ষণ করা—যে কোনো কার্যই আপনার মনের প্রশান্তি বাড়াতে পারে।
মনে রাখবেন, একা থাকার দিন মানে সামাজিক সম্পর্ক ছিন্ন করা নয়; এটি আত্ম-যত্নের একটি ধাপ, যা আপনাকে নতুন উদ্যমে কাজ ও জীবনে ফিরে আসতে সাহায্য করবে।
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম রোমিও, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
কপিরাইট © ২০২৬ করাপশন নিউজ বিডি ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মতামত