করাপশন নিউজ বিডি ২৪
প্রকাশ : বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

কর বিভাগে দুর্নীতি! শ্যামল কৃষ্ণ দাসের ৫ বছরের সাজা, অবৈধ সম্পদ জব্দ

কর বিভাগে দুর্নীতি! শ্যামল কৃষ্ণ দাসের ৫ বছরের সাজা, অবৈধ সম্পদ জব্দ

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: ঢাকা‑টোকিও সম্পর্ককে গড়ে তুলতে নতুন পদক্ষেপ

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: ঢাকা‑টোকিও সম্পর্ককে গড়ে তুলতে নতুন পদক্ষেপ

নেতানিয়াহু জোট ৫২, বিরোধী জোট ৫০: ইসরায়েল কনেসেট নির্বাচনে তীব্র লড়াই

নেতানিয়াহু জোট ৫২, বিরোধী জোট ৫০: ইসরায়েল কনেসেট নির্বাচনে তীব্র লড়াই

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের ১০ম স্থলবাহিনী সংলাপ: সামরিক প্রশিক্ষণ ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়বে

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের ১০ম স্থলবাহিনী সংলাপ: সামরিক প্রশিক্ষণ ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়বে

টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, মুশফিকুর অনুপস্থিতি শক

টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, মুশফিকুর অনুপস্থিতি শক

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের তৃতীয় দিন: শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের তৃতীয় দিন: শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি টোকিওতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে গভীর সমর্থন জানালেন

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি টোকিওতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে গভীর সমর্থন জানালেন

পেরুর নাজকা লাইনস: দুই হাজার বছর পুরনো রহস্যময় ভূচিত্রের সত্য

পেরুর নাজকা লাইনস: দুই হাজার বছর পুরনো রহস্যময় ভূচিত্রের সত্য

কর বিভাগে দুর্নীতি! শ্যামল কৃষ্ণ দাসের ৫ বছরের সাজা, অবৈধ সম্পদ জব্দ

কর বিভাগে দুর্নীতি! শ্যামল কৃষ্ণ দাসের ৫ বছরের সাজা, অবৈধ সম্পদ জব্দ

ঢাকা বিশেষ জজ আদালত‑৯ শ্যামল কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ১.৩৬ কোটি ৪৬ হাজার ৫২২ টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্তের রায় দিয়েছে। রায়ে শ্যামলকে ১০ লাখ টাকার জরিমানা আরোপ করা হয়েছে; জরিমানা না পরিশোধ করলে অতিরিক্ত এক বছর কারা বাড়বে।

রায় ঘোষণার সময় শ্যামল কৃষ্ণ দাস জামিনে আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দুদকের (দুদক) প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রায়ের পর শ্যামলকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলাটি ২৩ মে ২০২৪-এ দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব মোর্শেদ বাদী হয়ে দায়ের করেন। অভিযোগ অনুসারে শ্যামল কৃষ্ণ তখন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর অঞ্চল ময়মনসিংহে সহকারী কর কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১-এ তিনি নিজের ও নির্ভরশীলদের নামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দেনা-দায় এবং আয়ের উৎসের বিশদ বিবরণী দুদকে জমা দেন।

দাখিল করা বিবরণীতে শ্যামল ২ কোটি ৭৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮১৭ টাকার সম্পদ ঘোষণা করেন, সঙ্গে পারিবারিক ব্যয় ৩১ লাখ ১৩ হাজার ২০০ টাকা যোগ করে মোট ৩ কোটি ৪ লাখ ৯৭ হাজার ১৭ টাকার হিসাব হয়। তবে তার গ্রহণযোগ্য আয় মাত্র ১ কোটি ১৯ লাখ ১ হাজার ২২৫ টাকা, ফলে অবশিষ্ট ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। দুদক এই অমিলকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করে মামলায় আনে।

অনুসন্ধান শেষ হয়ে ১৭ এপ্রিল ২০২৫-এ তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান শ্যামলকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন। বিচারক আব্দুস সালাম চারজন সাক্ষীর বক্তব্য শোনার পর রায় দেন।

এই রায় কর বিভাগে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের উদাহরণ হিসেবে গণ্য হবে এবং সরকারি সম্পদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রয়োজনীয়তা পুনরায় তুলে ধরবে।

বিষয় : শ্যামল কৃষ্ণ দাস এনবিআর কর দুর্নীতি দুদক কারাদণ্ড সম্পদ বাজেয়াপ্ত আদালত রায়

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

কর বিভাগে দুর্নীতি! শ্যামল কৃষ্ণ দাসের ৫ বছরের সাজা, অবৈধ সম্পদ জব্দ
0:00 0:00
1.0x
করাপশন নিউজ বিডি ২৪

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


কর বিভাগে দুর্নীতি! শ্যামল কৃষ্ণ দাসের ৫ বছরের সাজা, অবৈধ সম্পদ জব্দ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ঢাকা বিশেষ জজ আদালত‑৯ শ্যামল কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ১.৩৬ কোটি ৪৬ হাজার ৫২২ টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্তের রায় দিয়েছে। রায়ে শ্যামলকে ১০ লাখ টাকার জরিমানা আরোপ করা হয়েছে; জরিমানা না পরিশোধ করলে অতিরিক্ত এক বছর কারা বাড়বে।

রায় ঘোষণার সময় শ্যামল কৃষ্ণ দাস জামিনে আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দুদকের (দুদক) প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রায়ের পর শ্যামলকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলাটি ২৩ মে ২০২৪-এ দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব মোর্শেদ বাদী হয়ে দায়ের করেন। অভিযোগ অনুসারে শ্যামল কৃষ্ণ তখন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর অঞ্চল ময়মনসিংহে সহকারী কর কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১-এ তিনি নিজের ও নির্ভরশীলদের নামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দেনা-দায় এবং আয়ের উৎসের বিশদ বিবরণী দুদকে জমা দেন।

দাখিল করা বিবরণীতে শ্যামল ২ কোটি ৭৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮১৭ টাকার সম্পদ ঘোষণা করেন, সঙ্গে পারিবারিক ব্যয় ৩১ লাখ ১৩ হাজার ২০০ টাকা যোগ করে মোট ৩ কোটি ৪ লাখ ৯৭ হাজার ১৭ টাকার হিসাব হয়। তবে তার গ্রহণযোগ্য আয় মাত্র ১ কোটি ১৯ লাখ ১ হাজার ২২৫ টাকা, ফলে অবশিষ্ট ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। দুদক এই অমিলকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করে মামলায় আনে।

অনুসন্ধান শেষ হয়ে ১৭ এপ্রিল ২০২৫-এ তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান শ্যামলকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন। বিচারক আব্দুস সালাম চারজন সাক্ষীর বক্তব্য শোনার পর রায় দেন।

এই রায় কর বিভাগে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের উদাহরণ হিসেবে গণ্য হবে এবং সরকারি সম্পদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রয়োজনীয়তা পুনরায় তুলে ধরবে।


করাপশন নিউজ বিডি ২৪

নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম রোমিও, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট


কপিরাইট © ২০২৬ করাপশন নিউজ বিডি ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত