ট্রাম্পের মুসলিম প্রার্থী বিরোধী র্যালি: 'ক্রিসমাসও উদযাপন করা যাবে না'
ট্রাম্পের মুসলিম প্রার্থী বিরোধী র্যালি: 'ক্রিসমাসও উদযাপন করা যাবে না'
রিপাবলিকান প্রার্থীর সমর্থনে রোববার ডোনাল্ড ট্রাম্প মিশিগানের পোর্ট হুরন শহরে উপস্থিত হয়ে মিশিগান সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী আবদুল এল‑সাইদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ চালিয়ে যান। তিনি দুই ঘণ্টার ভাষণে কয়েকশ সমর্থকের সামনে এল‑সাইদের ধর্মীয় পরিচয়কে রাজনৈতিক হাতিয়ার করে তুলে ধরেছেন এবং ‘যদি তিনি জিতেন, ক্রিসমাসও উদযাপন করা যাবে না’ এমন হুমকি দিয়েছেন।
ট্রাম্পের বক্তব্যে এল‑সাইদের ‘জিহাদি’ ও ‘শারিয়া আইন চালু করার ইচ্ছা’ নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ উঠে। তিনি বলছেন, ‘সিনেটে প্রবেশের আগে তাকে মেটাল ডিটেক্টরের মধ্য দিয়ে যেতে হবে’ এবং ‘যদি তিনি শারিয়া বাস্তবায়ন করেন, তার বিচার সবার আগে হবে’। এই মন্তব্যগুলোকে আল জাজিরা, ট্রাম্পের সঙ্গী, ‘ভুল তথ্য’ ও ‘ধর্মীয় ঘৃণার প্রচার’ হিসেবে নিন্দা করেছেন।
এল‑সাইদ, যিনি যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী নাগরিক এবং স্বাস্থ্য বিভাগের প্রাক্তন কর্মকর্তা, সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়েছেন এবং তার কোনো মুসলিম ব্রাদারহুড বা বিদেশি সংগঠনের সঙ্গে সংযোগের প্রমাণ নেই। তিনি ভোটের পরে দেশের জীবনযাত্রার খরচ কমানো ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দিতে চান।
মিশিগানের এই আসনটি বর্তমানে রিপাবলিকান মাইক রজার্সের হাতে, এবং ডেমোক্রেটিক পার্টি সেনেটের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে অতিরিক্ত পাঁচটি আসন জিততে হবে। ট্রাম্পের এই ধর্মীয় ভিত্তিক আক্রমণ নির্বাচনের আগে ধর্মীয় সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর প্রশ্ন তুলেছে।
ট্রাম্পের মুসলিমবিরোধী র্যালি ২০১৫ থেকে শুরু, যখন তিনি ‘মুসলিমদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বন্ধ’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং ২০১৭-এ নির্বাহী আদেশে বেশ কয়েকটি মুসলিম-প্রধান দেশের নাগরিকদের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। রোববারের এই সফরে তিনি আবারও মুসলিম অভিবাসনের ভয়কে রাজনৈতিক সুবিধা হিসেবে ব্যবহার করে ভোটারদের সতর্ক করেছেন।
ট্রাম্পের মুসলিম প্রার্থী বিরোধী র্যালি: 'ক্রিসমাসও উদযাপন করা যাবে না'
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
রিপাবলিকান প্রার্থীর সমর্থনে রোববার ডোনাল্ড ট্রাম্প মিশিগানের পোর্ট হুরন শহরে উপস্থিত হয়ে মিশিগান সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী আবদুল এল‑সাইদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ চালিয়ে যান। তিনি দুই ঘণ্টার ভাষণে কয়েকশ সমর্থকের সামনে এল‑সাইদের ধর্মীয় পরিচয়কে রাজনৈতিক হাতিয়ার করে তুলে ধরেছেন এবং ‘যদি তিনি জিতেন, ক্রিসমাসও উদযাপন করা যাবে না’ এমন হুমকি দিয়েছেন।
ট্রাম্পের বক্তব্যে এল‑সাইদের ‘জিহাদি’ ও ‘শারিয়া আইন চালু করার ইচ্ছা’ নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ উঠে। তিনি বলছেন, ‘সিনেটে প্রবেশের আগে তাকে মেটাল ডিটেক্টরের মধ্য দিয়ে যেতে হবে’ এবং ‘যদি তিনি শারিয়া বাস্তবায়ন করেন, তার বিচার সবার আগে হবে’। এই মন্তব্যগুলোকে আল জাজিরা, ট্রাম্পের সঙ্গী, ‘ভুল তথ্য’ ও ‘ধর্মীয় ঘৃণার প্রচার’ হিসেবে নিন্দা করেছেন।
এল‑সাইদ, যিনি যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী নাগরিক এবং স্বাস্থ্য বিভাগের প্রাক্তন কর্মকর্তা, সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়েছেন এবং তার কোনো মুসলিম ব্রাদারহুড বা বিদেশি সংগঠনের সঙ্গে সংযোগের প্রমাণ নেই। তিনি ভোটের পরে দেশের জীবনযাত্রার খরচ কমানো ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দিতে চান।
মিশিগানের এই আসনটি বর্তমানে রিপাবলিকান মাইক রজার্সের হাতে, এবং ডেমোক্রেটিক পার্টি সেনেটের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে অতিরিক্ত পাঁচটি আসন জিততে হবে। ট্রাম্পের এই ধর্মীয় ভিত্তিক আক্রমণ নির্বাচনের আগে ধর্মীয় সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর প্রশ্ন তুলেছে।
ট্রাম্পের মুসলিমবিরোধী র্যালি ২০১৫ থেকে শুরু, যখন তিনি ‘মুসলিমদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বন্ধ’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং ২০১৭-এ নির্বাহী আদেশে বেশ কয়েকটি মুসলিম-প্রধান দেশের নাগরিকদের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। রোববারের এই সফরে তিনি আবারও মুসলিম অভিবাসনের ভয়কে রাজনৈতিক সুবিধা হিসেবে ব্যবহার করে ভোটারদের সতর্ক করেছেন।
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম রোমিও, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
বাড়ি নং ৭৬৩, রোড নং ১, পশ্চিম নাখালপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
মতামত