ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ে মুদ্রণ ত্রুটি: ফেরত ও সংশোধনের জরুরি নির্দেশ
ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ে মুদ্রণ ত্রুটি: ফেরত ও সংশোধনের জরুরি নির্দেশ
মাধ্যমিক স্তরের ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পাঠ্যপুস্তকে মুদ্রণজনিত ত্রুটি পাওয়া যাওয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধিদপ্তর মাউশি ও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জরুরি নির্দেশ জারি করেছে।
এনসিটিবি ২৪ অক্টোবরের চিঠিতে জানানো হয়েছে যে, সরবরাহকৃত আইসিটি বইয়ের পৃষ্ঠায় মুদ্রণ ত্রুটি রয়েছে এবং তা দ্রুত সংশোধন করা প্রয়োজন। এ নির্দেশনার ভিত্তিতে মাউশি সব জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ের মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ত্রুটিযুক্ত বইগুলো সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানে ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
মাউশির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্ধারিত নমুনা ছক অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে বই হস্তান্তরের প্রক্রিয়া তদারকি করা হবে এবং প্রতিটি শিক্ষা অফিসকে ত্রুটিযুক্ত বইয়ের রেকর্ড ও ফেরতের প্রমাণ সংরক্ষণ করতে হবে। এই প্রক্রিয়া জরুরি ভিত্তিতে সংগ্রহপূর্বক বাস্তবায়ন করা হবে।
এর আগে এনসিটিবির আরেকটি নির্দেশনায় বলা হয়েছিল যে, যেসব মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে জেলা, উপজেলা ও থানা শিক্ষা অফিসে এনসিটিবি-র ওয়েব পোর্টালে অনুমোদিত চালানের মাধ্যমে বই সরবরাহ করেছে, সেগুলোকে নিজ উদ্যোগে সংগ্রহ করে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানে ফেরত আনতে হবে। সব স্তরের শিক্ষা অফিসকে এই কাজে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানগুলোকে ত্রুটিযুক্ত বই ফেরত দিয়ে সংশোধিত সংস্করণ সরবরাহের জন্য সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা সঠিক পাঠ্যবস্তু পেতে পারে এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ে মুদ্রণ ত্রুটি: ফেরত ও সংশোধনের জরুরি নির্দেশ
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
মাধ্যমিক স্তরের ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পাঠ্যপুস্তকে মুদ্রণজনিত ত্রুটি পাওয়া যাওয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধিদপ্তর মাউশি ও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জরুরি নির্দেশ জারি করেছে।
এনসিটিবি ২৪ অক্টোবরের চিঠিতে জানানো হয়েছে যে, সরবরাহকৃত আইসিটি বইয়ের পৃষ্ঠায় মুদ্রণ ত্রুটি রয়েছে এবং তা দ্রুত সংশোধন করা প্রয়োজন। এ নির্দেশনার ভিত্তিতে মাউশি সব জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ের মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ত্রুটিযুক্ত বইগুলো সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানে ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
মাউশির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্ধারিত নমুনা ছক অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে বই হস্তান্তরের প্রক্রিয়া তদারকি করা হবে এবং প্রতিটি শিক্ষা অফিসকে ত্রুটিযুক্ত বইয়ের রেকর্ড ও ফেরতের প্রমাণ সংরক্ষণ করতে হবে। এই প্রক্রিয়া জরুরি ভিত্তিতে সংগ্রহপূর্বক বাস্তবায়ন করা হবে।
এর আগে এনসিটিবির আরেকটি নির্দেশনায় বলা হয়েছিল যে, যেসব মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে জেলা, উপজেলা ও থানা শিক্ষা অফিসে এনসিটিবি-র ওয়েব পোর্টালে অনুমোদিত চালানের মাধ্যমে বই সরবরাহ করেছে, সেগুলোকে নিজ উদ্যোগে সংগ্রহ করে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানে ফেরত আনতে হবে। সব স্তরের শিক্ষা অফিসকে এই কাজে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানগুলোকে ত্রুটিযুক্ত বই ফেরত দিয়ে সংশোধিত সংস্করণ সরবরাহের জন্য সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা সঠিক পাঠ্যবস্তু পেতে পারে এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম রোমিও, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
বাড়ি নং ৭৬৩, রোড নং ১, পশ্চিম নাখালপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
মতামত