করাপশন নিউজ বিডি ২৪
প্রকাশ : সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

তানজিন তিশার শাড়ি মামলায় হুমকি‑আসামি, ‘সোলজার’ সিনেমা ঝুঁকিতে

তানজিন তিশার শাড়ি মামলায় হুমকি‑আসামি, ‘সোলজার’ সিনেমা ঝুঁকিতে

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: ঢাকা‑টোকিও সম্পর্ককে গড়ে তুলতে নতুন পদক্ষেপ

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: ঢাকা‑টোকিও সম্পর্ককে গড়ে তুলতে নতুন পদক্ষেপ

বাংলাদেশের হকি দল ১৩-০ গোলে ভারতের কাছে হারা, এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্সে বিপর্যয়

বাংলাদেশের হকি দল ১৩-০ গোলে ভারতের কাছে হারা, এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্সে বিপর্যয়

চীনা বিজ্ঞানীরা মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল থেকে মিথানল জ্বালানি উৎপাদনের নতুন অনুঘটক উদ্ভাবন

চীনা বিজ্ঞানীরা মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল থেকে মিথানল জ্বালানি উৎপাদনের নতুন অনুঘটক উদ্ভাবন

নেতানিয়াহুতে বড় ধাক্কা: ১২০ আসনের লক্ষ্য থেকে পিছিয়ে ৫১ আসন

নেতানিয়াহুতে বড় ধাক্কা: ১২০ আসনের লক্ষ্য থেকে পিছিয়ে ৫১ আসন

চট্টগ্রাম বন্দরেই ৩১৮টি বিপজ্জনক কনটেইনার জমা—বিস্ফোরণ ঝুঁকি এড়াতে সরকারী পদক্ষেপ

চট্টগ্রাম বন্দরেই ৩১৮টি বিপজ্জনক কনটেইনার জমা—বিস্ফোরণ ঝুঁকি এড়াতে সরকারী পদক্ষেপ

বিএনপির এলিজা জামান, মিষ্টির সংরক্ষিত আসনে একক প্রার্থী হিসেবে জয় নিশ্চিত

বিএনপির এলিজা জামান, মিষ্টির সংরক্ষিত আসনে একক প্রার্থী হিসেবে জয় নিশ্চিত

নেতানিয়াহু জোট ৫২, বিরোধী জোট ৫০: ইসরায়েল কনেসেট নির্বাচনে তীব্র লড়াই

নেতানিয়াহু জোট ৫২, বিরোধী জোট ৫০: ইসরায়েল কনেসেট নির্বাচনে তীব্র লড়াই

স্ক্রিনের ঝুঁকি: ২০-২০-২০ নিয়মে চোখের ক্লান্তি দূর করুন

স্ক্রিনের ঝুঁকি: ২০-২০-২০ নিয়মে চোখের ক্লান্তি দূর করুন
স্ক্রিনের ঝুঁকি: ২০-২০-২০ নিয়মে চোখের ক্লান্তি দূর করুন
ডিজিটাল স্ক্রিনের সামনে দীর্ঘসময় কাটানোকে আজকাল স্বাভাবিক হিসেবে গৃহীত করা হয়, তবে এই অভ্যাসের গোপন দিকগুলো চোখের স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। ঘুম থেকে উঠে প্রথম কাজ থেকে রাতের শেষ পর্যন্ত সামাজিক মাধ্যম স্ক্রোল করা পর্যন্ত, স্ক্রিনের আলো আমাদের দৃষ্টিশক্তিকে ক্রমশ ক্লান্ত করে দিচ্ছে। সম্প্রতি ১২ বছর বয়সী এক শিশুর ঘটনা এই সমস্যার বাস্তবতা তুলে ধরেছে। তার বাবা-মা প্রথমে ভেবেছিলেন যে ট্যাবলেটে ক্লাস, গেম ও ভিডিও দেখার ফলে ঘনঘন চোখ মোছা ও মাথাব্যথা কেবল ‘স্ক্রিন ক্লান্তি’। তবে চোখের বিশেষজ্ঞের পরামর্শে জানা গেল, শিশুটির মায়োপিয়া (দূরদৃষ্টির সমস্যা) গড়ে উঠেছে এবং চশমার প্রয়োজন। দীর্ঘসময় কাছ থেকে ডিভাইস ব্যবহার এবং পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো না পাওয়া চোখের আকৃতিকে স্বাভাবিকের চেয়ে দীর্ঘ করে দেয়। ফলে রেটিনার ওপর সরাসরি আলো না পড়ে, ফোকাসের দিক পরিবর্তিত হয় এবং দূরের বস্তু ঝাপসা দেখা শুরু করে। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে পলকের হার কমে যায়; স্বাভাবিকভাবে আমরা প্রতি সেকেন্ডে ১৫‑২০ বার পলক ফেলি, কিন্তু স্ক্রিনের সামনে এই সংখ্যা অর্ধেকের নিচে নেমে আসে, যার ফলে চোখের পৃষ্ঠ শুষ্ক হয়ে যায়। এই ধরনের উপসর্গ—শুষ্কতা, জ্বালাপোড়া, ঝাপসা দেখা, মাথাব্যথা ও ফোকাসে সমস্যা—কেবল সাময়িক ক্লান্তি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিশক্তি ক্ষতির পূর্বসতর্কতা। সমস্যার মূল সমাধান প্রযুক্তি বাদ দেওয়া নয়, বরং তা সচেতনভাবে ব্যবহার করা। **চোখ সুস্থ রাখতে জরুরি অভ্যাস** - **২০‑২০‑২০ নিয়ম**: প্রতি ২০ মিনিট স্ক্রিন ব্যবহার করার পর অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট (৬ মিটার) দূরে কোনো বস্তুতে তাকান। - **সচেতন পলক**: স্ক্রিনের সামনে কাজ করার সময় ঘন ঘন পলক ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলুন। - **সঠিক দূরত্ব ও ভঙ্গি**: স্ক্রিনকে চোখের সামান্য নিচে, উপযুক্ত দূরত্বে (প্রায় ৪৫-৬০ সেমি) রাখুন এবং ঘরের আলো সমানভাবে নিশ্চিত করুন। শুষ্কতা বাড়লে ড্রপ ব্যবহার করতে পারেন। - **ব্লু লাইট সম্পর্কে বাস্তবতা**: অতিরিক্ত নীল আলো ঘুমের চক্রে প্রভাব ফেলতে পারে, তবে রেটিনার স্থায়ী ক্ষতি নিয়ে কোনো দৃঢ় প্রমাণ নেই। তাই ব্লু‑লাইট গ্লাসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর না করে বিরতি ও সঠিক ব্যবহারে মনোযোগ দিন। **শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা** বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) শিশুদের স্ক্রিন সময় সীমিত করার এবং দৈনিক কমপক্ষে এক ঘন্টা বাইরে খেলাধুলা করার পরামর্শ দেয়। ঘরবন্দি হয়ে ডিভাইসে অতিরিক্ত সময় কাটানো মায়োপিয়া ও নিকটদৃষ্টির ঝুঁকি বাড়ায়। **কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?** সামান্য ক্লান্তি স্বাভাবিক, তবে ধারাবাহিকভাবে ঝাপসা দেখা, ঘন ঘন মাথাব্যথা, চোখের লালচে হওয়া বা দূরের বস্তু স্পষ্ট না দেখা হলে পূর্ণাঙ্গ চোখের পরীক্ষা করানো জরুরি। সময়মতো সনাক্তকরণ বড় দৃষ্টিশক্তি সমস্যাকে প্রতিরোধ করতে পারে। ডিজিটাল যুগে স্ক্রিনকে পুরোপুরি বাদ দেওয়া অসম্ভব, তবে ছোট ছোট অভ্যাসের পরিবর্তন—নিয়মিত বিরতি, সচেতন পলক, পর্যাপ্ত বাইরের আলো—চোখকে সুস্থ রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এই সহজ পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করলে দৃষ্টিশক্তি দীর্ঘস্থায়ীভাবে রক্ষা করা সম্ভব। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বিষয় : ডিজিটাল চোখের ক্লান্তি ২০-২০-২০ নিয়ম মায়োপিয়া স্ক্রিন ব্যবহার চোখের স্বাস্থ্য ব্লু লাইট শিশু দৃষ্টিশক্তি

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

স্ক্রিনের ঝুঁকি: ২০-২০-২০ নিয়মে চোখের ক্লান্তি দূর করুন
0:00 0:00
1.0x
করাপশন নিউজ বিডি ২৪

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


স্ক্রিনের ঝুঁকি: ২০-২০-২০ নিয়মে চোখের ক্লান্তি দূর করুন

প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
ডিজিটাল স্ক্রিনের সামনে দীর্ঘসময় কাটানোকে আজকাল স্বাভাবিক হিসেবে গৃহীত করা হয়, তবে এই অভ্যাসের গোপন দিকগুলো চোখের স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। ঘুম থেকে উঠে প্রথম কাজ থেকে রাতের শেষ পর্যন্ত সামাজিক মাধ্যম স্ক্রোল করা পর্যন্ত, স্ক্রিনের আলো আমাদের দৃষ্টিশক্তিকে ক্রমশ ক্লান্ত করে দিচ্ছে। সম্প্রতি ১২ বছর বয়সী এক শিশুর ঘটনা এই সমস্যার বাস্তবতা তুলে ধরেছে। তার বাবা-মা প্রথমে ভেবেছিলেন যে ট্যাবলেটে ক্লাস, গেম ও ভিডিও দেখার ফলে ঘনঘন চোখ মোছা ও মাথাব্যথা কেবল ‘স্ক্রিন ক্লান্তি’। তবে চোখের বিশেষজ্ঞের পরামর্শে জানা গেল, শিশুটির মায়োপিয়া (দূরদৃষ্টির সমস্যা) গড়ে উঠেছে এবং চশমার প্রয়োজন। দীর্ঘসময় কাছ থেকে ডিভাইস ব্যবহার এবং পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো না পাওয়া চোখের আকৃতিকে স্বাভাবিকের চেয়ে দীর্ঘ করে দেয়। ফলে রেটিনার ওপর সরাসরি আলো না পড়ে, ফোকাসের দিক পরিবর্তিত হয় এবং দূরের বস্তু ঝাপসা দেখা শুরু করে। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে পলকের হার কমে যায়; স্বাভাবিকভাবে আমরা প্রতি সেকেন্ডে ১৫‑২০ বার পলক ফেলি, কিন্তু স্ক্রিনের সামনে এই সংখ্যা অর্ধেকের নিচে নেমে আসে, যার ফলে চোখের পৃষ্ঠ শুষ্ক হয়ে যায়। এই ধরনের উপসর্গ—শুষ্কতা, জ্বালাপোড়া, ঝাপসা দেখা, মাথাব্যথা ও ফোকাসে সমস্যা—কেবল সাময়িক ক্লান্তি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিশক্তি ক্ষতির পূর্বসতর্কতা। সমস্যার মূল সমাধান প্রযুক্তি বাদ দেওয়া নয়, বরং তা সচেতনভাবে ব্যবহার করা। **চোখ সুস্থ রাখতে জরুরি অভ্যাস** - **২০‑২০‑২০ নিয়ম**: প্রতি ২০ মিনিট স্ক্রিন ব্যবহার করার পর অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট (৬ মিটার) দূরে কোনো বস্তুতে তাকান। - **সচেতন পলক**: স্ক্রিনের সামনে কাজ করার সময় ঘন ঘন পলক ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলুন। - **সঠিক দূরত্ব ও ভঙ্গি**: স্ক্রিনকে চোখের সামান্য নিচে, উপযুক্ত দূরত্বে (প্রায় ৪৫-৬০ সেমি) রাখুন এবং ঘরের আলো সমানভাবে নিশ্চিত করুন। শুষ্কতা বাড়লে ড্রপ ব্যবহার করতে পারেন। - **ব্লু লাইট সম্পর্কে বাস্তবতা**: অতিরিক্ত নীল আলো ঘুমের চক্রে প্রভাব ফেলতে পারে, তবে রেটিনার স্থায়ী ক্ষতি নিয়ে কোনো দৃঢ় প্রমাণ নেই। তাই ব্লু‑লাইট গ্লাসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর না করে বিরতি ও সঠিক ব্যবহারে মনোযোগ দিন। **শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা** বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) শিশুদের স্ক্রিন সময় সীমিত করার এবং দৈনিক কমপক্ষে এক ঘন্টা বাইরে খেলাধুলা করার পরামর্শ দেয়। ঘরবন্দি হয়ে ডিভাইসে অতিরিক্ত সময় কাটানো মায়োপিয়া ও নিকটদৃষ্টির ঝুঁকি বাড়ায়। **কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?** সামান্য ক্লান্তি স্বাভাবিক, তবে ধারাবাহিকভাবে ঝাপসা দেখা, ঘন ঘন মাথাব্যথা, চোখের লালচে হওয়া বা দূরের বস্তু স্পষ্ট না দেখা হলে পূর্ণাঙ্গ চোখের পরীক্ষা করানো জরুরি। সময়মতো সনাক্তকরণ বড় দৃষ্টিশক্তি সমস্যাকে প্রতিরোধ করতে পারে। ডিজিটাল যুগে স্ক্রিনকে পুরোপুরি বাদ দেওয়া অসম্ভব, তবে ছোট ছোট অভ্যাসের পরিবর্তন—নিয়মিত বিরতি, সচেতন পলক, পর্যাপ্ত বাইরের আলো—চোখকে সুস্থ রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এই সহজ পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করলে দৃষ্টিশক্তি দীর্ঘস্থায়ীভাবে রক্ষা করা সম্ভব। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

করাপশন নিউজ বিডি ২৪

নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম রোমিও, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট


কপিরাইট © ২০২৬ করাপশন নিউজ বিডি ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত