ইরান ‘আয়রন গেট’ পরিকল্পনা কে ‘কথার মারপ্যাঁচ’ বলে ঘিরে কঠোর প্রতিবাদ
ইরান ‘আয়রন গেট’ পরিকল্পনা কে ‘কথার মারপ্যাঁচ’ বলে ঘিরে কঠোর প্রতিবাদ
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক পরিকল্পনা ‘আয়রন গেট’‑কে ‘কথার মারপ্যাঁচ’ বলে অভিহিত করে, ইরানের অর্থনীতিতে কোনো বাস্তবিক চাপ আনতে পারবে না বলে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছে।
আইআরজিসির মুখপাত্র সারদার মোহেবি ফার্সের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “ইরানের অর্থনীতিতে তীব্র চাপ সৃষ্টি করে দেশটিকে ধসিয়ে দেওয়া ও বিভক্ত করার লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র এ পরিকল্পনার মাধ্যমে অর্জন করতে পারবে না।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বের দাবি ছিল দুই সপ্তাহের মধ্যে ইরানের অর্থনীতি ধসে পড়বে, কিন্তু বাস্তবে তেমন কোনো প্রভাব দেখা যায়নি।
সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ‘আয়রন গেট’ নামে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করার ঘোষণা দেয়। এই টাস্কফোর্সের কাজ হবে ইরানের স্থলপথে সরবরাহ রুটগুলোতে বাধা সৃষ্টি করা এবং অস্ত্রের চলাচল বন্ধ করা, ফলে বন্দর অবরোধের পাশাপাশি স্থলসীমান্তে পণ্য ও সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা।
ইরানের সঙ্গে সাতটি দেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে—ইরাক, তুরস্ক, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান—এবং উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর। যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এই সীমান্তগুলোতে সরবরাহের চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে, তবে আইআরজিসি জোর দিয়ে বলছে, অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়ে ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করার মার্কিন প্রচেষ্টা সফল হবে না।
এই বিবৃতি আল-জাজিরা ও বিডি প্রতিদিনের সূত্রে প্রকাশিত হয়েছে, যা ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার নতুন দিক উন্মোচন করে।
ইরান ‘আয়রন গেট’ পরিকল্পনা কে ‘কথার মারপ্যাঁচ’ বলে ঘিরে কঠোর প্রতিবাদ
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক পরিকল্পনা ‘আয়রন গেট’‑কে ‘কথার মারপ্যাঁচ’ বলে অভিহিত করে, ইরানের অর্থনীতিতে কোনো বাস্তবিক চাপ আনতে পারবে না বলে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছে।
আইআরজিসির মুখপাত্র সারদার মোহেবি ফার্সের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “ইরানের অর্থনীতিতে তীব্র চাপ সৃষ্টি করে দেশটিকে ধসিয়ে দেওয়া ও বিভক্ত করার লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র এ পরিকল্পনার মাধ্যমে অর্জন করতে পারবে না।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বের দাবি ছিল দুই সপ্তাহের মধ্যে ইরানের অর্থনীতি ধসে পড়বে, কিন্তু বাস্তবে তেমন কোনো প্রভাব দেখা যায়নি।
সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ‘আয়রন গেট’ নামে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করার ঘোষণা দেয়। এই টাস্কফোর্সের কাজ হবে ইরানের স্থলপথে সরবরাহ রুটগুলোতে বাধা সৃষ্টি করা এবং অস্ত্রের চলাচল বন্ধ করা, ফলে বন্দর অবরোধের পাশাপাশি স্থলসীমান্তে পণ্য ও সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা।
ইরানের সঙ্গে সাতটি দেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে—ইরাক, তুরস্ক, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান—এবং উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর। যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এই সীমান্তগুলোতে সরবরাহের চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে, তবে আইআরজিসি জোর দিয়ে বলছে, অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়ে ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করার মার্কিন প্রচেষ্টা সফল হবে না।
এই বিবৃতি আল-জাজিরা ও বিডি প্রতিদিনের সূত্রে প্রকাশিত হয়েছে, যা ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার নতুন দিক উন্মোচন করে।
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
বাড়ি নং ৭৬৩, রোড নং ১, পশ্চিম নাখালপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
মতামত