ফ্রান্সের বামপন্থী দল লে ফ্রঁস আনসামি (এলএফআই) থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জঁ-লুক মেলঁশোঁ, প্যারিসের ল্য বুরজেতে অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
শনিবার প্যারিসের উপকণ্ঠে অনুষ্ঠিত সভায় ৭৫ বছর বয়সী মেলঁশোঁ সমর্থকদের সামনে বললেন, "আমাদের সবকিছু বদলে ফেলতে হবে" এবং ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি, অবসরের বয়স ৬০ বছরে নামিয়ে আনা, মৌলিক খাবারের দাম নিয়ন্ত্রণ ও ধনীদের ওপর কর বাড়ানোর মতো বিস্তৃত অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতি উপস্থাপন করেন।
মেলঁশোঁর নির্বাচনী এজেন্ডায় নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আইসিসি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করা এবং ফ্রান্সকে ন্যাটো থেকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করার দাবি অন্তর্ভুক্ত। তিনি সাম্প্রতিক প্রকাশিত নিজের বই ‘দ্য কমন ফিউচার’‑এর কথা উল্লেখ করে, ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়লাভের পর তার দল কীভাবে শাসন পরিচালনা করবে তা বিশদভাবে তুলে ধরেছেন। নতুন সংস্করণে প্রায় এক হাজারটি প্রতিশ্রুতি যুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ফিলিস্তিন ইস্যুতে পদক্ষেপ এবং ১৯৬১ সালের আলজেরীয় নাগরিক হত্যাকাণ্ডকে ‘রাষ্ট্রীয় অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি রয়েছে।
ফ্রান্সের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে মেলঁশোঁ কঠোর সমালোচনা করেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিক্ষোভ দমনে পুলিশের সহিংস আচরণের জন্য ম্যাক্রোঁকে দায়ী করে তিনি বলেন, "ম্যাক্রোঁ তার শাসনামলের এক অন্ধকার সমাপ্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন"। মেলঁশোঁ আরও যোগ করেন, "এটি ম্যাক্রোঁ যুগের অন্তিমকাল, যেখানে বর্বরতা, পুলিশের নৃশংসতা এবং বিক্ষোভের শেষ পর্যায়ের অপ্রত্যাশিত ও সহিংস কর্মকাণ্ডের চিহ্ন রয়েছে"।
মেলঁশোঁ সমর্থকদের জানান, তার একমাত্র যুক্তিসঙ্গত প্রস্তাব হল বর্তমান ব্যবস্থা বদলানো। ২০২২ সালের ফরাসি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ২১.৯৫% ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন এবং দ্বিতীয় রাউন্ডে প্রবেশের জন্য প্রায় এক শতাংশের কাছাকাছি ভোটের ঘাটতি ছিল। মরক্কোতে জন্ম নেওয়া এই প্রাক্তন শিক্ষককে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা ফরাসি বামপন্থী শিবিরের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে মূল্যায়ন করেন।
ফ্রান্সের বামপন্থী দল লে ফ্রঁস আনসামি (এলএফআই) থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জঁ-লুক মেলঁশোঁ, প্যারিসের ল্য বুরজেতে অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
শনিবার প্যারিসের উপকণ্ঠে অনুষ্ঠিত সভায় ৭৫ বছর বয়সী মেলঁশোঁ সমর্থকদের সামনে বললেন, "আমাদের সবকিছু বদলে ফেলতে হবে" এবং ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি, অবসরের বয়স ৬০ বছরে নামিয়ে আনা, মৌলিক খাবারের দাম নিয়ন্ত্রণ ও ধনীদের ওপর কর বাড়ানোর মতো বিস্তৃত অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতি উপস্থাপন করেন।
মেলঁশোঁর নির্বাচনী এজেন্ডায় নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আইসিসি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করা এবং ফ্রান্সকে ন্যাটো থেকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করার দাবি অন্তর্ভুক্ত। তিনি সাম্প্রতিক প্রকাশিত নিজের বই ‘দ্য কমন ফিউচার’‑এর কথা উল্লেখ করে, ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়লাভের পর তার দল কীভাবে শাসন পরিচালনা করবে তা বিশদভাবে তুলে ধরেছেন। নতুন সংস্করণে প্রায় এক হাজারটি প্রতিশ্রুতি যুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ফিলিস্তিন ইস্যুতে পদক্ষেপ এবং ১৯৬১ সালের আলজেরীয় নাগরিক হত্যাকাণ্ডকে ‘রাষ্ট্রীয় অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি রয়েছে।
ফ্রান্সের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে মেলঁশোঁ কঠোর সমালোচনা করেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিক্ষোভ দমনে পুলিশের সহিংস আচরণের জন্য ম্যাক্রোঁকে দায়ী করে তিনি বলেন, "ম্যাক্রোঁ তার শাসনামলের এক অন্ধকার সমাপ্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন"। মেলঁশোঁ আরও যোগ করেন, "এটি ম্যাক্রোঁ যুগের অন্তিমকাল, যেখানে বর্বরতা, পুলিশের নৃশংসতা এবং বিক্ষোভের শেষ পর্যায়ের অপ্রত্যাশিত ও সহিংস কর্মকাণ্ডের চিহ্ন রয়েছে"।
মেলঁশোঁ সমর্থকদের জানান, তার একমাত্র যুক্তিসঙ্গত প্রস্তাব হল বর্তমান ব্যবস্থা বদলানো। ২০২২ সালের ফরাসি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ২১.৯৫% ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন এবং দ্বিতীয় রাউন্ডে প্রবেশের জন্য প্রায় এক শতাংশের কাছাকাছি ভোটের ঘাটতি ছিল। মরক্কোতে জন্ম নেওয়া এই প্রাক্তন শিক্ষককে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা ফরাসি বামপন্থী শিবিরের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে মূল্যায়ন করেন।
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
বাড়ি নং ৭৬৩, রোড নং ১, পশ্চিম নাখালপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
মতামত