<
করাপশন নিউজ বিডি ২৪
প্রকাশ : শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

ক্ষুধা হ্রাসে অগ্রগতি, নিরাপদ খাবার এখন চ্যালেঞ্জের মুখে

ক্ষুধা হ্রাসে অগ্রগতি, নিরাপদ খাবার এখন চ্যালেঞ্জের মুখে

মেডিকেল সহায়তা নিলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বাতিলের ঝুঁকি: দূতাবাসের সতর্কবার্তা

মেডিকেল সহায়তা নিলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বাতিলের ঝুঁকি: দূতাবাসের সতর্কবার্তা

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রধানমন্ত্রী তরিক রহমানের উপস্থিতি

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রধানমন্ত্রী তরিক রহমানের উপস্থিতি

বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিশাল শোভাযাত্রা

বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিশাল শোভাযাত্রা

ভূমি প্রতিমন্ত্রী হেলাল উদ্দিনের আদেশে অগ্রাধিকারভিত্তিক সড়ক উন্নয়ন পরিকল্পনা

ভূমি প্রতিমন্ত্রী হেলাল উদ্দিনের আদেশে অগ্রাধিকারভিত্তিক সড়ক উন্নয়ন পরিকল্পনা

ঢাকায় ২০৩০ সালের মধ্যে দু'টি মনোরেল রুটের নির্মাণে সরকার ত্বরান্বিত

ঢাকায় ২০৩০ সালের মধ্যে দু'টি মনোরেল রুটের নির্মাণে সরকার ত্বরান্বিত

সিলেটের যুবলীগ মিছিল ভেঙে ১২ নেতা-সদস্য গ্রেফতার

সিলেটের যুবলীগ মিছিল ভেঙে ১২ নেতা-সদস্য গ্রেফতার

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর: বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের ঐতিহাসিক দিন – প্রধানমন্ত্রী তায়রেক রহমানের বক্তব্য

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর: বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের ঐতিহাসিক দিন – প্রধানমন্ত্রী তায়রেক রহমানের বক্তব্য

ক্ষুধা হ্রাসে অগ্রগতি, নিরাপদ খাবার এখন চ্যালেঞ্জের মুখে

ক্ষুধা হ্রাসে অগ্রগতি, নিরাপদ খাবার এখন চ্যালেঞ্জের মুখে
ক্ষুধা হ্রাসে অগ্রগতি, নিরাপদ খাবার এখন চ্যালেঞ্জের মুখে
খাদ্য মানুষের মৌলিক অধিকার; সুস্থ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন গড়তে পর্যাপ্ত, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ খাবার অপরিহার্য। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে উৎপাদন বৃদ্ধি ও ক্ষুধা হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সত্ত্বেও দারিদ্র্য, মূল্যবৃদ্ধি, অপুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যাগুলি অগ্রগতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। ধান, গম, ভুট্টা, শাকসবজি, ফলমূল, মাছ ও প্রাণিসম্পদ উৎপাদনে দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সীমিত জমি ও দ্রুত বাড়তে থাকা জনসংখ্যার চাপ সত্ত্বেও উৎপাদন বাড়ানো বড় অর্জন, তবে বাজারে খাবার থাকলেও দরিদ্রের ক্রয়ক্ষমতা না থাকলে ক্ষুধা দূর হয় না। তাই উৎপাদনের পাশাপাশি আয়, কর্মসংস্থান ও ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা জরুরি। গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স ২০২৬ অনুযায়ী বাংলাদেশ ১২২টি দেশের মধ্যে ৮৪তম স্থানে রয়েছে; ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় অবস্থান ভাল, তবে নেপাল ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় পিছিয়ে। সূচকটি সামগ্রিক ক্ষুধা ও অপুষ্টি নির্দেশ করে, তবে অঞ্চলভিত্তিক পার্থক্য ও শিশু অপুষ্টি, খাদ্যের বৈচিত্র্যের অভাব ইত্যাদি সমস্যার গভীর বিশ্লেষণ প্রয়োজন। ক্ষুধা আরও কমাতে কৃষি উৎপাদনকে টেকসই ও বহুমুখী করতে হবে। ধানের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ডাল, তেলবীজ, শাকসবজি ও ফলের উৎপাদন বাড়াতে হবে, যাতে খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য আসে এবং আমদানিনির্ভরতা হ্রাস পায়। কৃষকদের মানসম্মত বীজ, সাশ্রয়ী ঋণ, আধুনিক প্রযুক্তি ও জলবায়ু‑সহনশীল ফসলের প্রয়োগে ত্বরান্বিত করা জরুরি। কৃষকের উৎপাদন বাড়লেও ন্যায্য মূল্য না পেলে তার জীবনমান উন্নত হয় না; মধ্যস্বত্বভোগী ও দুর্বল সরবরাহ শৃঙ্খলা ভোক্তাকে বেশি দামের শিকার করে। সংরক্ষণাগার, হিমাগার, শীতল পরিবহন ও আধুনিক পাইকারি বাজারের উন্নয়নের মাধ্যমে বাজার‑সংযোগ শক্তিশালী করা, মজুতদারি নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। খাদ্যের অপচয় রোধ করাও ক্ষুধা কমানোর কার্যকর উপায়। সংগ্রহ, পরিবহন ও সংরক্ষণে ক্ষতি কমিয়ে উৎপাদন না বাড়িয়েই চাহিদা মেটানো সম্ভব। কৃষক সমবায়, পারিবারিক কৃষি, ছাদবাগান ও প্রক্রিয়াজাতকরণে সমর্থন দিয়ে অপচয় কমিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ তৈরি করা যায়। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে লক্ষ্যভিত্তিক করা দরকার। দরিদ্র পরিবার, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী, বিধবা নারী ও দুর্যোগ‑প্রভাবিত জনগোষ্ঠীর কাছে সময়মতো খাদ্য ও নগদ সহায়তা পৌঁছাতে ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ, নির্ভুল তথ্যভান্ডার ও অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। নারীশিক্ষা, নারীর কর্মসংস্থান ও মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নতি শিশুর পুষ্টি ও সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পুষ্টিকর স্কুল খাবার, স্বাস্থ্যশিক্ষা ও নারীর সিদ্ধান্তগ্রহণের অংশগ্রহণ বাড়িয়ে অপুষ্টি হ্রাস করা সম্ভব। খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে তা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। ভেজাল, অননুমোদিত রাসায়নিক, কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ ও জীবাণুদূষণসহ বিভিন্ন ঝুঁকি বিদ্যমান। উৎপাদন থেকে টেবিল পর্যন্ত সম্পূর্ণ শৃঙ্খলে নিয়মিত নমুনা পরীক্ষা, ফলাফল প্রকাশ ও দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ অপরিহার্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী ২০২১ সালে অনিরাপদ খাবারজনিত রোগে ৮৬ কোটি মানুষ অসুস্থ ও ১৫ লাখেরও বেশি মৃত্যু হয়েছে। যদিও এটি বাংলাদেশের সরাসরি পরিমাপ নয়, তবে খাদ্য নিরাপত্তা না থাকলে চিকিৎসা ব্যয়, উৎপাদনশীলতা হ্রাস ও মানবসম্পদের ক্ষতি বাড়ে। দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় ও কার্যকারিতা বাড়াতে হবে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই, কৃষি ও মৎস্য অধিদপ্তর, পরিবেশ ও ভোক্তা অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার দায়িত্ব স্পষ্ট করে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের নিয়মিত নমুনা, ফলাফল প্রকাশ ও পুনরাবৃত্ত অপরাধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। অবশেষে, ভোক্তাদের সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ খাবার বেছে নেওয়ার দায় পুরোপুরি ভোক্তার ওপর না দিয়ে সরকারকে নির্ভরযোগ্য তথ্য, সহজলভ্য পরীক্ষাসেবা ও কার্যকর অভিযোগ ব্যবস্থা প্রদান করতে হবে। এ ধরনের সমন্বিত পদক্ষেপই বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত, পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাবারের দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে।

বিষয় : ক্ষুধা হ্রাস খাদ্য নিরাপত্তা সাশ্রয়ী খাবার কৃষি উৎপাদন সামাজিক সুরক্ষা খাদ্য অপচয় ভেজাল খাবার বাংলাদেশ

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

ক্ষুধা হ্রাসে অগ্রগতি, নিরাপদ খাবার এখন চ্যালেঞ্জের মুখে
0:00 0:00
1.0x
করাপশন নিউজ বিডি ২৪

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬


ক্ষুধা হ্রাসে অগ্রগতি, নিরাপদ খাবার এখন চ্যালেঞ্জের মুখে

প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬

featured Image
খাদ্য মানুষের মৌলিক অধিকার; সুস্থ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন গড়তে পর্যাপ্ত, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ খাবার অপরিহার্য। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে উৎপাদন বৃদ্ধি ও ক্ষুধা হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সত্ত্বেও দারিদ্র্য, মূল্যবৃদ্ধি, অপুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যাগুলি অগ্রগতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। ধান, গম, ভুট্টা, শাকসবজি, ফলমূল, মাছ ও প্রাণিসম্পদ উৎপাদনে দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সীমিত জমি ও দ্রুত বাড়তে থাকা জনসংখ্যার চাপ সত্ত্বেও উৎপাদন বাড়ানো বড় অর্জন, তবে বাজারে খাবার থাকলেও দরিদ্রের ক্রয়ক্ষমতা না থাকলে ক্ষুধা দূর হয় না। তাই উৎপাদনের পাশাপাশি আয়, কর্মসংস্থান ও ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা জরুরি। গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স ২০২৬ অনুযায়ী বাংলাদেশ ১২২টি দেশের মধ্যে ৮৪তম স্থানে রয়েছে; ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় অবস্থান ভাল, তবে নেপাল ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় পিছিয়ে। সূচকটি সামগ্রিক ক্ষুধা ও অপুষ্টি নির্দেশ করে, তবে অঞ্চলভিত্তিক পার্থক্য ও শিশু অপুষ্টি, খাদ্যের বৈচিত্র্যের অভাব ইত্যাদি সমস্যার গভীর বিশ্লেষণ প্রয়োজন। ক্ষুধা আরও কমাতে কৃষি উৎপাদনকে টেকসই ও বহুমুখী করতে হবে। ধানের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ডাল, তেলবীজ, শাকসবজি ও ফলের উৎপাদন বাড়াতে হবে, যাতে খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য আসে এবং আমদানিনির্ভরতা হ্রাস পায়। কৃষকদের মানসম্মত বীজ, সাশ্রয়ী ঋণ, আধুনিক প্রযুক্তি ও জলবায়ু‑সহনশীল ফসলের প্রয়োগে ত্বরান্বিত করা জরুরি। কৃষকের উৎপাদন বাড়লেও ন্যায্য মূল্য না পেলে তার জীবনমান উন্নত হয় না; মধ্যস্বত্বভোগী ও দুর্বল সরবরাহ শৃঙ্খলা ভোক্তাকে বেশি দামের শিকার করে। সংরক্ষণাগার, হিমাগার, শীতল পরিবহন ও আধুনিক পাইকারি বাজারের উন্নয়নের মাধ্যমে বাজার‑সংযোগ শক্তিশালী করা, মজুতদারি নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। খাদ্যের অপচয় রোধ করাও ক্ষুধা কমানোর কার্যকর উপায়। সংগ্রহ, পরিবহন ও সংরক্ষণে ক্ষতি কমিয়ে উৎপাদন না বাড়িয়েই চাহিদা মেটানো সম্ভব। কৃষক সমবায়, পারিবারিক কৃষি, ছাদবাগান ও প্রক্রিয়াজাতকরণে সমর্থন দিয়ে অপচয় কমিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ তৈরি করা যায়। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে লক্ষ্যভিত্তিক করা দরকার। দরিদ্র পরিবার, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী, বিধবা নারী ও দুর্যোগ‑প্রভাবিত জনগোষ্ঠীর কাছে সময়মতো খাদ্য ও নগদ সহায়তা পৌঁছাতে ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ, নির্ভুল তথ্যভান্ডার ও অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। নারীশিক্ষা, নারীর কর্মসংস্থান ও মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নতি শিশুর পুষ্টি ও সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পুষ্টিকর স্কুল খাবার, স্বাস্থ্যশিক্ষা ও নারীর সিদ্ধান্তগ্রহণের অংশগ্রহণ বাড়িয়ে অপুষ্টি হ্রাস করা সম্ভব। খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে তা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। ভেজাল, অননুমোদিত রাসায়নিক, কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ ও জীবাণুদূষণসহ বিভিন্ন ঝুঁকি বিদ্যমান। উৎপাদন থেকে টেবিল পর্যন্ত সম্পূর্ণ শৃঙ্খলে নিয়মিত নমুনা পরীক্ষা, ফলাফল প্রকাশ ও দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ অপরিহার্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী ২০২১ সালে অনিরাপদ খাবারজনিত রোগে ৮৬ কোটি মানুষ অসুস্থ ও ১৫ লাখেরও বেশি মৃত্যু হয়েছে। যদিও এটি বাংলাদেশের সরাসরি পরিমাপ নয়, তবে খাদ্য নিরাপত্তা না থাকলে চিকিৎসা ব্যয়, উৎপাদনশীলতা হ্রাস ও মানবসম্পদের ক্ষতি বাড়ে। দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় ও কার্যকারিতা বাড়াতে হবে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই, কৃষি ও মৎস্য অধিদপ্তর, পরিবেশ ও ভোক্তা অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার দায়িত্ব স্পষ্ট করে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের নিয়মিত নমুনা, ফলাফল প্রকাশ ও পুনরাবৃত্ত অপরাধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। অবশেষে, ভোক্তাদের সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ খাবার বেছে নেওয়ার দায় পুরোপুরি ভোক্তার ওপর না দিয়ে সরকারকে নির্ভরযোগ্য তথ্য, সহজলভ্য পরীক্ষাসেবা ও কার্যকর অভিযোগ ব্যবস্থা প্রদান করতে হবে। এ ধরনের সমন্বিত পদক্ষেপই বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত, পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাবারের দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে।

করাপশন নিউজ বিডি ২৪

নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট


যোগাযোগ : 09697716045