যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ত্বরান্বিত হওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম হ্রাস পেতে শুরু করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের অবসানের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় সরবরাহ উদ্বেগ কমে, ফলে এশিয়ার বাজারে ব্রেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে এসেছে।
সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৩৩% কমে ব্যারেলপ্রতি $111.92-তে নেমে আসে, আর ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ১.৭১% হ্রাস পেয়ে $102.34-তে পৌঁছায়। পরবর্তী হালনাগাদে এই পতন অব্যাহত থাকে; রয়টার্সের প্রতিবেদনে দেখা যায় ব্রেন্টের দাম আরও ২% কমে $111.15 এবং ডব্লিউটিআই ২.৩% হ্রাস পেয়ে $101.73-তে নেমে এসেছে। উল্লেখযোগ্য যে, অক্টোবর মাসে ব্রেন্টের দাম ১৩.৬% বৃদ্ধি পেয়ে শীর্ষে পৌঁছেছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, এই দরপতনের মূল কারণ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত নিরসনের জন্য চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগ। ইরান ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের আলোচনার তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তৃতীয় দিন ধারাবাহিকভাবে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহের অনিশ্চয়তা কমিয়ে দেয়।
তবে, পারস্য উপসাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা এবং হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, যদি সংঘাত পুনরায় তীব্র হয় তবে তেল দামের পুনরায় উত্থান ঘটতে পারে।
দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়লে ব্রেন্টের দাম $120-এর কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে, আর গোল্ডম্যান স্যাকসের পূর্বাভাসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দাম $80-তে নেমে আসতে পারে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স, দ্য ইকোনমিক টাইমস ও সৌদি প্রেস এজেন্সি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ত্বরান্বিত হওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম হ্রাস পেতে শুরু করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের অবসানের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় সরবরাহ উদ্বেগ কমে, ফলে এশিয়ার বাজারে ব্রেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে এসেছে।
সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৩৩% কমে ব্যারেলপ্রতি $111.92-তে নেমে আসে, আর ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ১.৭১% হ্রাস পেয়ে $102.34-তে পৌঁছায়। পরবর্তী হালনাগাদে এই পতন অব্যাহত থাকে; রয়টার্সের প্রতিবেদনে দেখা যায় ব্রেন্টের দাম আরও ২% কমে $111.15 এবং ডব্লিউটিআই ২.৩% হ্রাস পেয়ে $101.73-তে নেমে এসেছে। উল্লেখযোগ্য যে, অক্টোবর মাসে ব্রেন্টের দাম ১৩.৬% বৃদ্ধি পেয়ে শীর্ষে পৌঁছেছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, এই দরপতনের মূল কারণ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত নিরসনের জন্য চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগ। ইরান ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের আলোচনার তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তৃতীয় দিন ধারাবাহিকভাবে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহের অনিশ্চয়তা কমিয়ে দেয়।
তবে, পারস্য উপসাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা এবং হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, যদি সংঘাত পুনরায় তীব্র হয় তবে তেল দামের পুনরায় উত্থান ঘটতে পারে।
দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়লে ব্রেন্টের দাম $120-এর কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে, আর গোল্ডম্যান স্যাকসের পূর্বাভাসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দাম $80-তে নেমে আসতে পারে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স, দ্য ইকোনমিক টাইমস ও সৌদি প্রেস এজেন্সি।
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
বাড়ি নং ৭৬৩, রোড নং ১, পশ্চিম নাখালপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
মতামত