মিরপুর-১০-এ ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি নিয়ে পোশাক শ্রমিকদের প্রতিবাদে রাস্তায় গন্ডগোল সৃষ্টি, ফলে মেট্রো রেলের পাঁচটি স্টেশন বন্ধ করা হয়।
রবিবার দুপুর ১২টার পর থেকে মিরপুর-১০, মিরপুর-১১ এবং পল্লবী স্টেশন বন্ধ করা হয়; পরে শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়া স্টেশনও বন্ধের তালিকায় যুক্ত হয়। একই সময়ে মিরপুর-১০, ১১, ১২ এবং আশপাশের এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে থেমে যায়।
সকাল থেকে শ্রমিকরা দলে দলে মিরপুর ও পার্শ্ববর্তী সড়কে উপস্থিত হয়ে সড়ক অবরোধ করে। মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৪ এবং পল্লবীসহ বহু সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে পথচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে।
শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরানোর চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে রক্তপাত হয়। দুপুর ১২টার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মিরপুর-১০ পুনরায় নিয়ন্ত্রণে আনে, তবে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে মিরপুর-২, ১১ ও ১৪ নম্বর রাস্তায় ছড়িয়ে থাকে।
শেষ আপডেট পর্যন্ত মিরপুর-১০ পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে; সীমিতভাবে কিছু যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে, তবে রাস্তাগুলো এখন প্রায় ফাঁকা। পুলিশ রাস্তায় কোনো ব্যক্তিকে থামতে দিচ্ছে না।
মিরপুর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার এসআই হাফিজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘এই মুহূর্তে এলাকাটি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।’
মিরপুর-১০-এ ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি নিয়ে পোশাক শ্রমিকদের প্রতিবাদে রাস্তায় গন্ডগোল সৃষ্টি, ফলে মেট্রো রেলের পাঁচটি স্টেশন বন্ধ করা হয়।
রবিবার দুপুর ১২টার পর থেকে মিরপুর-১০, মিরপুর-১১ এবং পল্লবী স্টেশন বন্ধ করা হয়; পরে শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়া স্টেশনও বন্ধের তালিকায় যুক্ত হয়। একই সময়ে মিরপুর-১০, ১১, ১২ এবং আশপাশের এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে থেমে যায়।
সকাল থেকে শ্রমিকরা দলে দলে মিরপুর ও পার্শ্ববর্তী সড়কে উপস্থিত হয়ে সড়ক অবরোধ করে। মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৪ এবং পল্লবীসহ বহু সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে পথচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে।
শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরানোর চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে রক্তপাত হয়। দুপুর ১২টার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মিরপুর-১০ পুনরায় নিয়ন্ত্রণে আনে, তবে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে মিরপুর-২, ১১ ও ১৪ নম্বর রাস্তায় ছড়িয়ে থাকে।
শেষ আপডেট পর্যন্ত মিরপুর-১০ পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে; সীমিতভাবে কিছু যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে, তবে রাস্তাগুলো এখন প্রায় ফাঁকা। পুলিশ রাস্তায় কোনো ব্যক্তিকে থামতে দিচ্ছে না।
মিরপুর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার এসআই হাফিজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘এই মুহূর্তে এলাকাটি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।’
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
বাড়ি নং ৭৬৩, রোড নং ১, পশ্চিম নাখালপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
মতামত