প্রিন্ট ও ডিজিটাল উভয়ই ৩১ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশিত হয়েছে সাংবাদিক ও লেখক আনিসুর বুলবুলের নতুন বই ‘সাংবাদিকের এআই’। লাবিবায়ান প্রকাশকের উদ্যোগে প্রথম সংস্করণটি ৬৭০ টাকায় বাজারে এসে দাঁড়িয়েছে।
বইটি এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) কীভাবে দৈনন্দিন সাংবাদিকতার কাজে ব্যবহার করা যায়, কোন ক্ষেত্রে সহায়তা নেওয়া সম্ভব এবং প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার ঝুঁকি কী—এগুলোকে ব্যবহারিক উদাহরণ ও নির্দেশনার মাধ্যমে বিশ্লেষণ করেছে। মোট ৫০টি অধ্যায়ে সংবাদ পরিকল্পনা, তথ্য অনুসন্ধান, গবেষণা, সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতি, অডিও‑ট্রান্সক্রিপশন, সরকারি নথি ও বাজেট বিশ্লেষণ, ডেটা সাংবাদিকতা, সংবাদ লেখা ও সম্পাদনা, তথ্য যাচাই এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সহ নানা দিক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অতিরিক্তভাবে, ভাইরাল ছবি, ভিডিও, অডিও ও ডিপফেক শনাক্তকরণ, সামাজিক মাধ্যমে ডিজিটাল সূত্র অনুসন্ধান, সংবাদ আর্কাইভ বিশ্লেষণ, নিউজরুম পরিচালনা এবং মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরিতে এআইয়ের ব্যবহার নিয়ে পৃথক অধ্যায় রয়েছে।
বইটি এআই ব্যবহারের ঝুঁকি ও নৈতিকতা বিষয়েও গুরুত্ব দিয়েছে। ভুল তথ্য বা হ্যালুসিনেশন শনাক্তকরণ, ভুয়া তথ্য যাচাই, গোপনীয়তা রক্ষা, সূত্রের নিরাপত্তা এবং এআই‑সহায়তায় তৈরি সংবাদ প্রকাশের নীতিমালা নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে।
লেখক আনিসুর বুলবুল উল্লেখ করেন, এআই সাংবাদিকতার গতি ও দক্ষতা বাড়াতে পারে, তবে সত্য যাচাই ও প্রকাশের দায়িত্ব কখনোই প্রযুক্তির ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। এআইয়ের তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই, প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং পাঠকের আস্থা রক্ষা করা এখনো সাংবাদিকের মৌলিক দায়িত্ব। এই উপলব্ধি থেকেই বইটি রচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য এআইয়ের মৌলিক ধারণা, অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের জন্য উন্নত কৌশল, নির্বাচিত প্রম্পট, ব্যবহার‑পূর্ব ও‑পরের যাচাই তালিকা, তথ্য যাচাইয়ের চেকলিস্ট এবং নিউজরুমে এআই ব্যবহারের নমুনা নীতিমালা সবই বইতে অন্তর্ভুক্ত।
বইটির প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন তন্ময় রহমান। এটি অনলাইন পরিবেশক রকমারিতে এবং প্রকাশকের ওয়েবসাইট labibayan.com-এ ২৫% ছাড়ে ক্রয় করা যাবে।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রিন্ট ও ডিজিটাল উভয়ই ৩১ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশিত হয়েছে সাংবাদিক ও লেখক আনিসুর বুলবুলের নতুন বই ‘সাংবাদিকের এআই’। লাবিবায়ান প্রকাশকের উদ্যোগে প্রথম সংস্করণটি ৬৭০ টাকায় বাজারে এসে দাঁড়িয়েছে।
বইটি এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) কীভাবে দৈনন্দিন সাংবাদিকতার কাজে ব্যবহার করা যায়, কোন ক্ষেত্রে সহায়তা নেওয়া সম্ভব এবং প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার ঝুঁকি কী—এগুলোকে ব্যবহারিক উদাহরণ ও নির্দেশনার মাধ্যমে বিশ্লেষণ করেছে। মোট ৫০টি অধ্যায়ে সংবাদ পরিকল্পনা, তথ্য অনুসন্ধান, গবেষণা, সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতি, অডিও‑ট্রান্সক্রিপশন, সরকারি নথি ও বাজেট বিশ্লেষণ, ডেটা সাংবাদিকতা, সংবাদ লেখা ও সম্পাদনা, তথ্য যাচাই এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সহ নানা দিক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অতিরিক্তভাবে, ভাইরাল ছবি, ভিডিও, অডিও ও ডিপফেক শনাক্তকরণ, সামাজিক মাধ্যমে ডিজিটাল সূত্র অনুসন্ধান, সংবাদ আর্কাইভ বিশ্লেষণ, নিউজরুম পরিচালনা এবং মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরিতে এআইয়ের ব্যবহার নিয়ে পৃথক অধ্যায় রয়েছে।
বইটি এআই ব্যবহারের ঝুঁকি ও নৈতিকতা বিষয়েও গুরুত্ব দিয়েছে। ভুল তথ্য বা হ্যালুসিনেশন শনাক্তকরণ, ভুয়া তথ্য যাচাই, গোপনীয়তা রক্ষা, সূত্রের নিরাপত্তা এবং এআই‑সহায়তায় তৈরি সংবাদ প্রকাশের নীতিমালা নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে।
লেখক আনিসুর বুলবুল উল্লেখ করেন, এআই সাংবাদিকতার গতি ও দক্ষতা বাড়াতে পারে, তবে সত্য যাচাই ও প্রকাশের দায়িত্ব কখনোই প্রযুক্তির ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। এআইয়ের তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই, প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং পাঠকের আস্থা রক্ষা করা এখনো সাংবাদিকের মৌলিক দায়িত্ব। এই উপলব্ধি থেকেই বইটি রচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য এআইয়ের মৌলিক ধারণা, অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের জন্য উন্নত কৌশল, নির্বাচিত প্রম্পট, ব্যবহার‑পূর্ব ও‑পরের যাচাই তালিকা, তথ্য যাচাইয়ের চেকলিস্ট এবং নিউজরুমে এআই ব্যবহারের নমুনা নীতিমালা সবই বইতে অন্তর্ভুক্ত।
বইটির প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন তন্ময় রহমান। এটি অনলাইন পরিবেশক রকমারিতে এবং প্রকাশকের ওয়েবসাইট labibayan.com-এ ২৫% ছাড়ে ক্রয় করা যাবে।

মতামত