ইরানের ড্রোন জব্দের দাবি নাকচে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকমের কঠোর প্রত্যাখ্যান
ইরানের ড্রোন জব্দের দাবি নাকচে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকমের কঠোর প্রত্যাখ্যান
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালির পশ্চিমে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ড্রোন জব্দের দাবি করেছে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তা সম্পূর্ণভাবে নাকচ করেছে।
সেন্টকমের মুখপাত্র টিম হকিন্স এপি-কে জানিয়েছেন, গত কয়েক সপ্তাহ ও মাসে আইআরজিসি ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং আজকের দাবিও তার ব্যতিক্রম নয়। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রমাণ উপস্থাপন না করেই ইরানের দাবিকে অস্বীকার করেছেন।
আইআরজিসি পূর্বে বলেছিল যে তারা হরমুজ প্রণালির পশ্চিমে একটি "গুপ্তচর ও প্রতারণামূলক" ড্রোন জব্দ করেছে, তবে ড্রোনের ধরণ, পরিচালনা কেন্দ্র বা আটক করার পদ্ধতি সম্পর্কে কোনো বিশদ তথ্য প্রদান করেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকমও ড্রোন জব্দের দাবির বিপক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেনি, ফলে ড্রোনটি সত্যিই জব্দ হয়েছে কি না তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করে, যা আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। এই প্রণালিতে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের বিশাল পরিমাণ পরিবহন হয়; তাই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে গ্লোবাল তেল সরবরাহ ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তীব্র হয়।
ড্রোন জব্দের দাবিকে ঘিরে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এমন এক সময়ে প্রকাশ পেয়েছে, যখন হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। ইরানের দাবির সত্যতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাটিকে মার্কিন ড্রোন জব্দের প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে গণ্য করা সম্ভব নয়।
ইরানের ড্রোন জব্দের দাবি নাকচে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকমের কঠোর প্রত্যাখ্যান
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালির পশ্চিমে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ড্রোন জব্দের দাবি করেছে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তা সম্পূর্ণভাবে নাকচ করেছে।
সেন্টকমের মুখপাত্র টিম হকিন্স এপি-কে জানিয়েছেন, গত কয়েক সপ্তাহ ও মাসে আইআরজিসি ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং আজকের দাবিও তার ব্যতিক্রম নয়। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রমাণ উপস্থাপন না করেই ইরানের দাবিকে অস্বীকার করেছেন।
আইআরজিসি পূর্বে বলেছিল যে তারা হরমুজ প্রণালির পশ্চিমে একটি "গুপ্তচর ও প্রতারণামূলক" ড্রোন জব্দ করেছে, তবে ড্রোনের ধরণ, পরিচালনা কেন্দ্র বা আটক করার পদ্ধতি সম্পর্কে কোনো বিশদ তথ্য প্রদান করেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকমও ড্রোন জব্দের দাবির বিপক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেনি, ফলে ড্রোনটি সত্যিই জব্দ হয়েছে কি না তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করে, যা আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। এই প্রণালিতে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের বিশাল পরিমাণ পরিবহন হয়; তাই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে গ্লোবাল তেল সরবরাহ ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তীব্র হয়।
ড্রোন জব্দের দাবিকে ঘিরে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এমন এক সময়ে প্রকাশ পেয়েছে, যখন হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। ইরানের দাবির সত্যতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাটিকে মার্কিন ড্রোন জব্দের প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে গণ্য করা সম্ভব নয়।
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম রোমিও, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
বাড়ি নং ৭৬৩, রোড নং ১, পশ্চিম নাখালপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
মতামত