ওভারপাসের দেয়ালে রঙের সিম্ফনি: বগুড়ার শতবর্ষের ঐতিহ্য ফুটে উঠল","বগুড়া রেল ওভারপাসে মুরাল: ইতিহাস‑সংস্কৃতি একসাথে কংক্রিটে রঙিন ক্যানভাস","বারোপুর ওভারপাসে শিল্প‑গ্যালারি: শহরের নান্দনিকতা ও পরিচয় পুনর্নির্মাণ ১৩ মিনিট আগে

বার্সেলোনা হিনক্যাপির দিকে তাকিয়ে, আরসেনালে গেমটাইমের অভাব বাড়িয়ে দিলো ট্রান্সফার তাগাদা ৩৩ মিনিট আগে

দেশের পাঁচটি মেডিকেল কলেজে নিউক্লিয়ার মেডিসিন ইনস্টিটিউটের নতুন দিগন্ত ৫৩ মিনিট আগে

নভেম্বরের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্সে রেকর্ড ভাঙল, ৫২১ মিলিয়ন ডলার প্রবাহ ১ ঘণ্টা আগে

জয়পুরহাটে দরিদ্র পরিবারকে বিনামূল্যে বকনা গরু বিতরণে আর্থিক স্বাবলম্বিতা গড়ে উঠবে ১ ঘণ্টা আগে
করাপশন নিউজ বিডি ২৪

ডিসেম্বরের আগে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট গ্রিডে যোগদানের সম্ভাবনা

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম মঙ্গলবার ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট‑২০২৬’ এ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে ডিসেম্বরের আগেই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে। মন্ত্রীর মতে, রূপপুর প্রকল্প বর্তমানে সি‑স্টেজে রয়েছে। এই পর্যায়ে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেয়ে ধাপে ধাপে অগ্রসর হওয়া হচ্ছে। আজ পর্যন্ত কেন্দ্রটি তার তাপীয় ক্ষমতার প্রায় ২০ % অর্জন করেছে; এই ক্ষমতা ৩৫‑৪০ % এ পৌঁছালে উৎপাদিত বাষ্প দিয়ে টারবাইন ঘোরানো সম্ভব হবে এবং জেনারেটর চালু হয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। নিরাপত্তা বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে। পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফল না এলে যন্ত্রপাতি খুলে পুনরায় পরীক্ষা ও মেরামত করা হবে; প্রয়োজন হলে একই প্রক্রিয়া দুই‑তিনবারও পুনরাবৃত্তি করা হতে পারে। শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত করা হবে না। মন্ত্রীর মতে, সবকিছু স্বাভাবিকভাবে অগ্রসর হলে আগামী পাঁচ‑ছয় সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হতে পারে, তবে নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া কঠিন, কারণ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর জন্য সূক্ষ্ম কারিগরি ও নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় প্রয়োজন। আনাম উল্লেখ করেছেন, একটি ভিভিআর ভালভের সমস্যার সমাধানে প্রায় দুই মাস কাজ করতে হয়েছে; শেষ পর্যন্ত সমস্যার সমাধান হয়েছে। রাশিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রোসাটমের সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ চলমান, এবং রোসাটমের সহযোগিতা প্রকল্পের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিজ্ঞানী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রকল্প পরিচালকসহ মাঠে কাজ করা বাংলাদেশি ও রাশিয়ান বিশেষজ্ঞরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৪৯ জন রাশিয়ান বিজ্ঞানী যুক্ত ছিলেন; বর্তমানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কাজ এগিয়ে চলছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে। প্রথমে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিয়ে উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা, এরপর ধাপে ধাপে ক্ষমতা বাড়িয়ে প্রথম ছয় মাসের মধ্যে ১,১০০ মেগাওয়াটের বেশি উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। তবে ক্ষমতা বৃদ্ধির গতি মাঠের বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের কাজের অগ্রগতির ওপর নির্ভরশীল। রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের এই অগ্রগতি দেশের শক্তি নিরাপত্তা ও বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্ত্রী আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।

ডিসেম্বরের আগে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট গ্রিডে যোগদানের সম্ভাবনা