ওভারপাসের দেয়ালে রঙের সিম্ফনি: বগুড়ার শতবর্ষের ঐতিহ্য ফুটে উঠল","বগুড়া রেল ওভারপাসে মুরাল: ইতিহাস‑সংস্কৃতি একসাথে কংক্রিটে রঙিন ক্যানভাস","বারোপুর ওভারপাসে শিল্প‑গ্যালারি: শহরের নান্দনিকতা ও পরিচয় পুনর্নির্মাণ
ওভারপাসের দেয়ালে রঙের সিম্ফনি: বগুড়ার শতবর্ষের ঐতিহ্য ফুটে উঠল","বগুড়া রেল ওভারপাসে মুরাল: ইতিহাস‑সংস্কৃতি একসাথে কংক্রিটে রঙিন ক্যানভাস","বারোপুর ওভারপাসে শিল্প‑গ্যালারি: শহরের নান্দনিকতা ও পরিচয় পুনর্নির্মাণ
বগুড়া শহরের চার‑লেনে বিস্তৃত জাতীয় মহাসড়কের বারোপুর ওভারপাসের কংক্রিটের দেয়াল এখন রঙিন মুরালের মঞ্চে রূপান্তরিত হচ্ছে। পোস্টার‑ব্যানার ও অননুমোদিত দেয়ালিকার দখলকে বদলে, একের পর এক অ্যাক্রেলিক চিত্রকর্মে বগুড়ার হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতি জীবন্ত হয়ে উঠছে।
মহাস্থানগড়, বেহুলার বাসরঘর, বৈরাগির ভিটা, জিয়ত কুণ্ডু এবং বগুড়ার স্বীকৃত জিআই পণ্য—দই, আলু, লাল মরিচ—সহ লাঙলের হালচাষ ও পুন্ড্রনগরের প্রাচীন সভ্যতা সবই রঙিন ম্যুরালে ফুটে উঠেছে। এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বগুড়া বিয়াম মডেল স্কুল ও কলেজের চারুকলা বিভাগের শিক্ষক ও ডিজিটাল আর্টিস্ট মো. আবু লায়েছ নিক্সন, যিনি বলেন, "মুরাল পেইন্টিংয়ের মাধ্যমে বগুড়া মহানগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও ইতিহাস‑সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের সামনে উপস্থাপনই মূল লক্ষ্য।"
বগুড়া সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদুল হক জানান, রেল ওভারপাসের দেয়ালে অনিয়ন্ত্রিত পোস্টার ও বিজ্ঞাপন নগরের নান্দনিকতা নষ্ট করছিল। তাই শহরের পরিচয় তুলে ধরতে এবং অপ্রত্যাশিত গ্রাফিতি দূর করতে এই সরকারি ওয়াল‑আर्ट প্রকল্প শুরু করা হয়েছে। তিনি যোগ করেন, "দেয়ালগুলোকে কেবল অবকাঠামো নয়, বগুড়ার ইতিহাস ও সংস্কৃতির উন্মুক্ত গ্যালারিতে রূপান্তরিত করা আমাদের লক্ষ্য।"
এই মুরাল প্রকল্পটি ‘সাব‑রিজিওনাল ইকোনমিক কো‑অপারেশন (সাসেক‑২)’ প্রকল্পের অংশ, যা বাংলাদেশ সরকার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে চালু হয়েছে। ২০২৪ সালে শাজাহানপুরের বি‑ব্লক ক্যান্টনমেন্ট ওভারপাস, ফুলতলা ওভারপাস, ফটকি সেতু এবং বগুড়া সদরের তিনমাথা মোড়ের রেল ওভারপাসসহ বারোপুর ওভারপাস খুলে দেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে বারোপুর ওভারপাসে পাইলট প্রকল্প হিসেবে কাজটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ভবিষ্যতে অভিজ্ঞতা, ব্যয় ও সাফল্যের ভিত্তিতে বগুড়ার অন্যান্য ওভারপাস, রেল‑ওভারপাস এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও একই রকম নান্দনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং বগুড়া সদর আসনের সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাদশা এই উদ্যোগ সম্পর্কে অবগত এবং সমর্থন জানিয়েছেন।
বারোপুর ওভারপাসের দেয়ালে রঙের এই নতুন ঢেউ বগুড়ার স্বকীয় পরিচয়কে কংক্রিটের পৃষ্ঠে স্থায়ী করে তুলবে, শহরের নান্দনিক পরিবেশকে সমৃদ্ধ করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ওভারপাসের দেয়ালে রঙের সিম্ফনি: বগুড়ার শতবর্ষের ঐতিহ্য ফুটে উঠল","বগুড়া রেল ওভারপাসে মুরাল: ইতিহাস‑সংস্কৃতি একসাথে কংক্রিটে রঙিন ক্যানভাস","বারোপুর ওভারপাসে শিল্প‑গ্যালারি: শহরের নান্দনিকতা ও পরিচয় পুনর্নির্মাণ
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বগুড়া শহরের চার‑লেনে বিস্তৃত জাতীয় মহাসড়কের বারোপুর ওভারপাসের কংক্রিটের দেয়াল এখন রঙিন মুরালের মঞ্চে রূপান্তরিত হচ্ছে। পোস্টার‑ব্যানার ও অননুমোদিত দেয়ালিকার দখলকে বদলে, একের পর এক অ্যাক্রেলিক চিত্রকর্মে বগুড়ার হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতি জীবন্ত হয়ে উঠছে।
মহাস্থানগড়, বেহুলার বাসরঘর, বৈরাগির ভিটা, জিয়ত কুণ্ডু এবং বগুড়ার স্বীকৃত জিআই পণ্য—দই, আলু, লাল মরিচ—সহ লাঙলের হালচাষ ও পুন্ড্রনগরের প্রাচীন সভ্যতা সবই রঙিন ম্যুরালে ফুটে উঠেছে। এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বগুড়া বিয়াম মডেল স্কুল ও কলেজের চারুকলা বিভাগের শিক্ষক ও ডিজিটাল আর্টিস্ট মো. আবু লায়েছ নিক্সন, যিনি বলেন, "মুরাল পেইন্টিংয়ের মাধ্যমে বগুড়া মহানগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও ইতিহাস‑সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের সামনে উপস্থাপনই মূল লক্ষ্য।"
বগুড়া সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদুল হক জানান, রেল ওভারপাসের দেয়ালে অনিয়ন্ত্রিত পোস্টার ও বিজ্ঞাপন নগরের নান্দনিকতা নষ্ট করছিল। তাই শহরের পরিচয় তুলে ধরতে এবং অপ্রত্যাশিত গ্রাফিতি দূর করতে এই সরকারি ওয়াল‑আर्ट প্রকল্প শুরু করা হয়েছে। তিনি যোগ করেন, "দেয়ালগুলোকে কেবল অবকাঠামো নয়, বগুড়ার ইতিহাস ও সংস্কৃতির উন্মুক্ত গ্যালারিতে রূপান্তরিত করা আমাদের লক্ষ্য।"
এই মুরাল প্রকল্পটি ‘সাব‑রিজিওনাল ইকোনমিক কো‑অপারেশন (সাসেক‑২)’ প্রকল্পের অংশ, যা বাংলাদেশ সরকার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে চালু হয়েছে। ২০২৪ সালে শাজাহানপুরের বি‑ব্লক ক্যান্টনমেন্ট ওভারপাস, ফুলতলা ওভারপাস, ফটকি সেতু এবং বগুড়া সদরের তিনমাথা মোড়ের রেল ওভারপাসসহ বারোপুর ওভারপাস খুলে দেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে বারোপুর ওভারপাসে পাইলট প্রকল্প হিসেবে কাজটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ভবিষ্যতে অভিজ্ঞতা, ব্যয় ও সাফল্যের ভিত্তিতে বগুড়ার অন্যান্য ওভারপাস, রেল‑ওভারপাস এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও একই রকম নান্দনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং বগুড়া সদর আসনের সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাদশা এই উদ্যোগ সম্পর্কে অবগত এবং সমর্থন জানিয়েছেন।
বারোপুর ওভারপাসের দেয়ালে রঙের এই নতুন ঢেউ বগুড়ার স্বকীয় পরিচয়কে কংক্রিটের পৃষ্ঠে স্থায়ী করে তুলবে, শহরের নান্দনিক পরিবেশকে সমৃদ্ধ করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
বাড়ি নং ৭৬৩, রোড নং ১, পশ্চিম নাখালপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
মতামত