<
করাপশন নিউজ বিডি ২৪

শিক্ষক নিয়োগে নতুন কাঠামো: প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সংযোজন

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে, যেখানে প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষার তিন‑ধাপের ব্যবস্থা করা হবে। প্রস্তাবিত কাঠামোতে ১০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি, ১০০ নম্বরের লিখিত এবং ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। যদিও এখনও চূড়ান্ত নয়, তবে বিধিমালা সংশোধনের পরই সিলেবাস ও নম্বরবিন্যাস নির্ধারিত হবে। প্রিলিমিনারিতে এক ঘণ্টার ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষা হবে, যেখানে সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর এবং ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে। উত্তীর্ণ হতে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর অর্জন করা আবশ্যক। সিলেবাসে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান প্রত্যেকটি থেকে ২৫ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা তিন ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেবে, যার পর ২০ নম্বরের মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরবিন্যাসও প্রস্তাবিত কাঠামোর অংশ, তবে চূড়ান্ত অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত তা পরিবর্তনশীল রয়ে যাবে। নতুন পদ্ধতিতে শিক্ষক নিবন্ধনের মাধ্যমে যোগ্যতা যাচাই না করে সরাসরি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। ফলে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা বাতিল হয়ে, নবম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধানের ভাইভা পরীক্ষা ৯ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা, এরপরই নবম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া হবে, যদিও শিক্ষামন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে তারিখ নিশ্চিত করা বাকি। এনটিআরসিএ ৪ নভেম্বর ২০২৩-এ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল; তার প্রিলিমিনারি মার্চ ২০২৪-এ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর এবার সরাসরি নিয়োগের নতুন পদ্ধতি প্রস্তাব করা হয়েছে, যা শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে। বিডি প্রতিদিন/এমআই

শিক্ষক নিয়োগে নতুন কাঠামো: প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সংযোজন