< !-- End Google Tag Manager (noscript) -->
করাপশন নিউজ বিডি ২৪
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

পাকিস্তান জিএসপি প্লাস সুবিধা হারানোর ঝুঁকিতে: মানবাধিকার অবনতি উদ্বেগের মূল কারণ

পাকিস্তান জিএসপি প্লাস সুবিধা হারানোর ঝুঁকিতে: মানবাধিকার অবনতি উদ্বেগের মূল কারণ

মিশরীয়-আমেরিকান সার্জন আদম হামাওয়ি নিউ জার্সির প্রথম মুসলিম কংগ্রেসম্যান হিসেবে জয়লাভ

মিশরীয়-আমেরিকান সার্জন আদম হামাওয়ি নিউ জার্সির প্রথম মুসলিম কংগ্রেসম্যান হিসেবে জয়লাভ

ট্রাম্পের গোপন পরিকল্পনা: পিট হেগসেথের পদে থাকা নাকি রন ডিস্যান্টিসের বদলি?

ট্রাম্পের গোপন পরিকল্পনা: পিট হেগসেথের পদে থাকা নাকি রন ডিস্যান্টিসের বদলি?

ডেমোক্র্যাটিক পার্টি সেনেটের নিয়ন্ত্রণ দখল, ট্রাম্পের রিপাবলিকান দল বিপর্যস্ত

ডেমোক্র্যাটিক পার্টি সেনেটের নিয়ন্ত্রণ দখল, ট্রাম্পের রিপাবলিকান দল বিপর্যস্ত

ট্রাম্পের শিবিরে ডেমোক্র্যাটের তুফান: সাউথ ক্যারোলাইনাসহ মূল রাজ্যে জয়

ট্রাম্পের শিবিরে ডেমোক্র্যাটের তুফান: সাউথ ক্যারোলাইনাসহ মূল রাজ্যে জয়

ইতিহাসের মাইলফলক: একসঙ্গে তিন কৃষ্ণাঙ্গ নারী মার্কিন সিনেটে

ইতিহাসের মাইলফলক: একসঙ্গে তিন কৃষ্ণাঙ্গ নারী মার্কিন সিনেটে

কেইশা ল্যান্স বোটমসের ঐতিহাসিক জয়: যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর

কেইশা ল্যান্স বোটমসের ঐতিহাসিক জয়: যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর

ইউরোপের সুপারমার্কেটের ফ্রিজে হ্যাকিং: কোটি কোটি ইউরো ক্ষতি

ইউরোপের সুপারমার্কেটের ফ্রিজে হ্যাকিং: কোটি কোটি ইউরো ক্ষতি

পাকিস্তান জিএসপি প্লাস সুবিধা হারানোর ঝুঁকিতে: মানবাধিকার অবনতি উদ্বেগের মূল কারণ

পাকিস্তান জিএসপি প্লাস সুবিধা হারানোর ঝুঁকিতে: মানবাধিকার অবনতি উদ্বেগের মূল কারণ
পাকিস্তান জিএসপি প্লাস সুবিধা হারানোর ঝুঁকিতে: মানবাধিকার অবনতি উদ্বেগের মূল কারণ
মানবাধিকার অবনতির কারণে পাকিস্তান ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিএসপি প্লাস শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারে। মঙ্গলবার জাতীয় পরিষদের অর্থবিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি সৈয়দ নাভিদ কামার এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন, যদিও সরকার কোনো হুমকি নেই বলে দাবি করছে। জিএসপি প্লাস হল EU‑এর একটি বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা, যা উন্নয়নশীল ও দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলোকে ইউরোপীয় বাজারে শুল্কমুক্ত রপ্তানি করতে দেয়। পাকিস্তান এই সুবিধার সর্ববৃহৎ উপভোক্তা। EU’র সর্বশেষ পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে পাকিস্তানে মানবাধিকার, বিচারব্যবস্থা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ইত্যাদিতে লঙ্ঘন উন্মোচিত হয়েছে, যা সুবিধা ঝুঁকির কারণ হতে পারে। বর্তমান জিএসপি প্লাস চুক্তির মেয়াদ ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত, এবং ২০২৯ থেকে নতুন চুক্তির প্রস্তুতি উপপ্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি কমিটি চালু করেছে। ২০২৪ সালে পাকিস্তানের EU রপ্তানি ৭৫০ কোটি ইউরো, যা পঞ্চম জিএসপি প্রতিবেদনে উল্লেখিত। তবে রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ায় সুবিধা বজায় রাখা জরুরি। EU প্রতিবেদন অনুযায়ী, গুম, সাইবার অপরাধ, মানহানি, সন্ত্রাসবাদ দমন সংক্রান্ত আইন সংশোধন বা বাতিল করা প্রয়োজন, যাতে মানবাধিকার উন্নত হয়। ২০২৭ থেকে সংশোধিত জিএসপি বিধিমালা কার্যকর হবে; EU মানবাধিকার লঙ্ঘনের জবাবদিহি, নির্যাতন বন্ধ, কারাগার সংস্কার ইত্যাদি অগ্রাধিকার দিয়েছে। স্থায়ী কমিটিতে ব্যবসায়িক কর প্রকল্পের ব্যর্থতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ হয়; ২২২ ব্যবসায়ী ছাড়া অন্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তবে তার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের অনুমোদন দরকার। কমিটিতে পিপিপি সদস্য ড. নাফিসা শাহ ইরান আফগানিস্তান সঙ্গে সীমান্ত বন্ধের প্রভাব ও রপ্তানির ক্ষতি জিজ্ঞাসা করেন; বিলাল কায়ানি নিরাপত্তা অগ্রাধিকার বলে ব্যাখ্যা করেন, অন্যদিকে এমকিউএম‑পি সদস্য জাভেদ হানিফ চীন‑ভারত বাণিজ্য সম্পর্ক উল্লেখ করেন। উপসংহারে, পাকিস্তানের জন্য জিএসপি প্লাস সুবিধা বজায় রাখা মানবাধিকার সংস্কার ও বাণিজ্যিক নীতি সমন্বয়কে প্রয়োজন, নচেৎ EU রপ্তানি প্রবেশাধিকার হারাতে পারে।

বিষয় : পাকিস্তান জিএসপি প্লাস মানবাধিকার ইউরোপীয় ইউনিয়ন শুল্কমুক্ত রপ্তানি বাণিজ্য EU পর্যবেক্ষণ অর্থবিষয়ক স্থায়ী কমিটি

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

পাকিস্তান জিএসপি প্লাস সুবিধা হারানোর ঝুঁকিতে: মানবাধিকার অবনতি উদ্বেগের মূল কারণ
0:00 0:00
1.0x
করাপশন নিউজ বিডি ২৪

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬


পাকিস্তান জিএসপি প্লাস সুবিধা হারানোর ঝুঁকিতে: মানবাধিকার অবনতি উদ্বেগের মূল কারণ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬

featured Image
মানবাধিকার অবনতির কারণে পাকিস্তান ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিএসপি প্লাস শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারে। মঙ্গলবার জাতীয় পরিষদের অর্থবিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি সৈয়দ নাভিদ কামার এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন, যদিও সরকার কোনো হুমকি নেই বলে দাবি করছে। জিএসপি প্লাস হল EU‑এর একটি বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা, যা উন্নয়নশীল ও দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলোকে ইউরোপীয় বাজারে শুল্কমুক্ত রপ্তানি করতে দেয়। পাকিস্তান এই সুবিধার সর্ববৃহৎ উপভোক্তা। EU’র সর্বশেষ পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে পাকিস্তানে মানবাধিকার, বিচারব্যবস্থা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ইত্যাদিতে লঙ্ঘন উন্মোচিত হয়েছে, যা সুবিধা ঝুঁকির কারণ হতে পারে। বর্তমান জিএসপি প্লাস চুক্তির মেয়াদ ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত, এবং ২০২৯ থেকে নতুন চুক্তির প্রস্তুতি উপপ্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি কমিটি চালু করেছে। ২০২৪ সালে পাকিস্তানের EU রপ্তানি ৭৫০ কোটি ইউরো, যা পঞ্চম জিএসপি প্রতিবেদনে উল্লেখিত। তবে রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়ায় সুবিধা বজায় রাখা জরুরি। EU প্রতিবেদন অনুযায়ী, গুম, সাইবার অপরাধ, মানহানি, সন্ত্রাসবাদ দমন সংক্রান্ত আইন সংশোধন বা বাতিল করা প্রয়োজন, যাতে মানবাধিকার উন্নত হয়। ২০২৭ থেকে সংশোধিত জিএসপি বিধিমালা কার্যকর হবে; EU মানবাধিকার লঙ্ঘনের জবাবদিহি, নির্যাতন বন্ধ, কারাগার সংস্কার ইত্যাদি অগ্রাধিকার দিয়েছে। স্থায়ী কমিটিতে ব্যবসায়িক কর প্রকল্পের ব্যর্থতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ হয়; ২২২ ব্যবসায়ী ছাড়া অন্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তবে তার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের অনুমোদন দরকার। কমিটিতে পিপিপি সদস্য ড. নাফিসা শাহ ইরান আফগানিস্তান সঙ্গে সীমান্ত বন্ধের প্রভাব ও রপ্তানির ক্ষতি জিজ্ঞাসা করেন; বিলাল কায়ানি নিরাপত্তা অগ্রাধিকার বলে ব্যাখ্যা করেন, অন্যদিকে এমকিউএম‑পি সদস্য জাভেদ হানিফ চীন‑ভারত বাণিজ্য সম্পর্ক উল্লেখ করেন। উপসংহারে, পাকিস্তানের জন্য জিএসপি প্লাস সুবিধা বজায় রাখা মানবাধিকার সংস্কার ও বাণিজ্যিক নীতি সমন্বয়কে প্রয়োজন, নচেৎ EU রপ্তানি প্রবেশাধিকার হারাতে পারে।

করাপশন নিউজ বিডি ২৪

নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট


যোগাযোগ : 09697716045