সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি নির্ধারিত ২৩ নভেম্বর
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি নির্ধারিত ২৩ নভেম্বর
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ২৩ নভেম্বর নির্ধারিত হয়েছে। রোববার (১ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত‑৫-এ বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রথমে শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন, তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীর ডেঙ্গু ও কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ায় উপস্থিতি সম্ভব না হওয়ায় আদালত আবেদন মঞ্জুর করে নতুন তারিখ স্থাপন করে।
মামলায় আসামিদের মধ্যে আসাদুজ্জামান খান কামালের স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খান, পুত্র শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতি এবং কন্যা শাফিয়া তাসনিম খান অন্তর্ভুক্ত। এই মামলাটি প্রথমে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত‑১০-এ চলছিল, পরে মহানগর দায়রা জজ আদালত বিশেষ জজ আদালত‑৫-এ স্থানান্তর করে। শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতি, যিনি কারাগারে ছিলেন, শোনানিকালে আদালতে হাজির হন।
দুদক ৯ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করে। পরবর্তী তদন্তের শেষে ১৮ ডিসেম্বর দুদক চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করে। নথি অনুযায়ী, কামাল পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে অসাধু উপায়ে অপরাধমূলক অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে জানাজাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার ১৬২ টাকা অতিরিক্ত সম্পদ অর্জন করেছেন।
এছাড়া, আসামিরা নয়টি ব্যাংকে মোট ৮৭ কোটি ৪৬ লাখ ২৬ হাজার ৯৩৩ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত। দুদক দাবি করে যে, এই অর্থ ‘দুর্নীতি ও ঘুষ’ সংঘটনের মাধ্যমে প্রাপ্ত এবং অবৈধ উৎস গোপন করার উদ্দেশ্যে রূপান্তর বা স্থানান্তর করা হয়েছে।
শুনানি এখনও বাকি থাকায় আদালতের রায় এবং সম্ভাব্য শাস্তি দেশের দুর্নীতি বিরোধী নীতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। দুদকের এই পদক্ষেপ সরকারী কর্মকর্তাদের সম্পদ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতি জনসাধারণের আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি নির্ধারিত ২৩ নভেম্বর
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ২৩ নভেম্বর নির্ধারিত হয়েছে। রোববার (১ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত‑৫-এ বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রথমে শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন, তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীর ডেঙ্গু ও কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ায় উপস্থিতি সম্ভব না হওয়ায় আদালত আবেদন মঞ্জুর করে নতুন তারিখ স্থাপন করে।
মামলায় আসামিদের মধ্যে আসাদুজ্জামান খান কামালের স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খান, পুত্র শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতি এবং কন্যা শাফিয়া তাসনিম খান অন্তর্ভুক্ত। এই মামলাটি প্রথমে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত‑১০-এ চলছিল, পরে মহানগর দায়রা জজ আদালত বিশেষ জজ আদালত‑৫-এ স্থানান্তর করে। শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতি, যিনি কারাগারে ছিলেন, শোনানিকালে আদালতে হাজির হন।
দুদক ৯ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করে। পরবর্তী তদন্তের শেষে ১৮ ডিসেম্বর দুদক চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করে। নথি অনুযায়ী, কামাল পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে অসাধু উপায়ে অপরাধমূলক অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে জানাজাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার ১৬২ টাকা অতিরিক্ত সম্পদ অর্জন করেছেন।
এছাড়া, আসামিরা নয়টি ব্যাংকে মোট ৮৭ কোটি ৪৬ লাখ ২৬ হাজার ৯৩৩ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত। দুদক দাবি করে যে, এই অর্থ ‘দুর্নীতি ও ঘুষ’ সংঘটনের মাধ্যমে প্রাপ্ত এবং অবৈধ উৎস গোপন করার উদ্দেশ্যে রূপান্তর বা স্থানান্তর করা হয়েছে।
শুনানি এখনও বাকি থাকায় আদালতের রায় এবং সম্ভাব্য শাস্তি দেশের দুর্নীতি বিরোধী নীতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। দুদকের এই পদক্ষেপ সরকারী কর্মকর্তাদের সম্পদ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতি জনসাধারণের আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
বাড়ি নং ৭৬৩, রোড নং ১, পশ্চিম নাখালপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
মতামত