নেট্রোকোনায় পারিবারিক বিরোধে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবক নিহত, দুইজন গ্রেফতার
নেট্রোকোনায় পারিবারিক বিরোধে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবক নিহত, দুইজন গ্রেফতার
নেট্রোকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের ফলে গুলিবিদ্ধ হয়ে ৩০ বছর বয়সী সাদ্দাম হোসেন নিহত, তিনজন আহত এবং দুইজন গ্রেফতার হয়েছে।
শুক্রবার রাতের সময় পোগলা ইউনিয়নের খাতে সালেঙ্গা গ্রামে ঘটনা ঘটে। নিহতের দেহ শনিবার সকালে নেট্রোকোনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। সাদ্দাম আবুল হাশিমের ছেলে, পেশা অটো‑রিকশা চালক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের মতে, কয়েক দিন আগে খাতে সালেঙ্গা গ্রামের জামাল মিয়ার অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে হক্কুনের ছেলের হাতে নেওয়ার অভিযোগ উঠায়। জামাল মিয়া মামলায় দায়ের করলে পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে। এরপর থেকে দুই পরিবারে বিরোধ তীব্র হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে, মাদক ব্যবসার অভিযোগও এলাকায় উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়।
শুক্রবার রাতে চাঁন মিয়া ও হক্কুনের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। গুলিবিদ্ধ হয়ে সাদ্দামকে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে ডাক্তার ডা. এমএমএস মাটি মৃত ঘোষণা করেন। উভয় পক্ষের আরও তিনজন আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানানো যায়, জামাল মিয়া, চাঁন মিয়া এবং নিহত সাদ্দামই গ্রামটির মাদকবিরোধী কমিটির সদস্য ছিলেন। অন্যদিকে হক্কুনের গাঁজা ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে; প্রায় এক সপ্তাহ আগে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি এলাকায় ফিরে এসেছেন।
কলমাকান্দা থানা ওসি মো. সোহেল রানা বলেন, ঘটনাটির মূল কারণ ছিল ছেলে‑মেয়ে সংক্রান্ত একটি বিষয়, যা দ্রুতই গুলিবিদ্ধ সংঘর্ষে রূপান্তরিত হয়। তিনি জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, এবং মামলার আইনি প্রক্রিয়া শীঘ্রই শুরু হবে।
নেট্রোকোনায় পারিবারিক বিরোধে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবক নিহত, দুইজন গ্রেফতার
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
নেট্রোকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের ফলে গুলিবিদ্ধ হয়ে ৩০ বছর বয়সী সাদ্দাম হোসেন নিহত, তিনজন আহত এবং দুইজন গ্রেফতার হয়েছে।
শুক্রবার রাতের সময় পোগলা ইউনিয়নের খাতে সালেঙ্গা গ্রামে ঘটনা ঘটে। নিহতের দেহ শনিবার সকালে নেট্রোকোনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। সাদ্দাম আবুল হাশিমের ছেলে, পেশা অটো‑রিকশা চালক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের মতে, কয়েক দিন আগে খাতে সালেঙ্গা গ্রামের জামাল মিয়ার অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে হক্কুনের ছেলের হাতে নেওয়ার অভিযোগ উঠায়। জামাল মিয়া মামলায় দায়ের করলে পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে। এরপর থেকে দুই পরিবারে বিরোধ তীব্র হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে, মাদক ব্যবসার অভিযোগও এলাকায় উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়।
শুক্রবার রাতে চাঁন মিয়া ও হক্কুনের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। গুলিবিদ্ধ হয়ে সাদ্দামকে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে ডাক্তার ডা. এমএমএস মাটি মৃত ঘোষণা করেন। উভয় পক্ষের আরও তিনজন আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানানো যায়, জামাল মিয়া, চাঁন মিয়া এবং নিহত সাদ্দামই গ্রামটির মাদকবিরোধী কমিটির সদস্য ছিলেন। অন্যদিকে হক্কুনের গাঁজা ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে; প্রায় এক সপ্তাহ আগে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি এলাকায় ফিরে এসেছেন।
কলমাকান্দা থানা ওসি মো. সোহেল রানা বলেন, ঘটনাটির মূল কারণ ছিল ছেলে‑মেয়ে সংক্রান্ত একটি বিষয়, যা দ্রুতই গুলিবিদ্ধ সংঘর্ষে রূপান্তরিত হয়। তিনি জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, এবং মামলার আইনি প্রক্রিয়া শীঘ্রই শুরু হবে।
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
বাড়ি নং ৭৬৩, রোড নং ১, পশ্চিম নাখালপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
মতামত