চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ‑৫-এ বিশাল পতন, পাসের হার রেকর্ড নিম্নে
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ‑৫-এ বিশাল পতন, পাসের হার রেকর্ড নিম্নে
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ফলাফলে শোচনীয় পতন দেখা গেছে; জিপিএ‑৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পাসের হার দুটোই গত বছরের তুলনায় সর্বনিম্ন রেকর্ড করেছে।
গত বছর ৬,০৯৭ শিক্ষার্থী জিপিএ‑৫ পেয়েছিল, যেখানে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় মাত্র ২,৯২৯ শিক্ষার্থীই এই শীর্ষ গ্রেড অর্জন করেছে। এক বছরের ব্যবধানে ৩,১৬৮ শিক্ষার্থী কমে এই হ্রাস অর্ধেকেরও বেশি হ্রাসকে নির্দেশ করে।
পাসের হারও নীচের দিকে গিয়ে ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ৫২.০৭ শতাংশে নেমে এসেছে। গত বছর এই হার ছিল ৫২.৫৭ শতাংশ, অর্থাৎ শূন্য দশমিক পাঁচ শূন্য শতাংশ পয়েন্টের হ্রাস। শনিবার প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
বোর্ডের অধীনে ১১৪টি কেন্দ্রে ২৮০টি কলেজের মোট ৯৬,৩৩৫ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ছেলেদের পাসের হার ৪৭.৬২ শতাংশ, আর মেয়েদের পাসের হার ৫৩.৮৯ শতাংশ, ফলে মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় ৬.২৭ শতাংশ পয়েন্ট বেশি উত্তীর্ণ হয়েছে।
জেলা ভিত্তিক ফলাফলেও বড় পার্থক্য দেখা যায়। খাগড়াছড়ি জেলার পাসের হার মাত্র ২৯.৮৫ শতাংশ, রাঙ্গামাটি ৩৩.২৪ শতাংশ এবং বান্দরবান ৪১.৪২ শতাংশ। বিপরীতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পাসের হার ৬৬.২০ শতাংশে শীর্ষে রয়েছে।
কলেজভিত্তিক ফলাফলে তিনটি প্রতিষ্ঠান শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে: চট্টগ্রামের মেরন সান কলেজ, সৃজনী ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং কক্সবাজারের বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এই তিন কলেজে মোট নয়জন শিক্ষার্থী অংশ নেন, তবে কেউই উত্তীর্ণ হয়নি।
অন্যদিকে ছয়টি কলেজে শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৩৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন এবং সবাই পাস করেছেন। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে ৪৪ জন, কোয়ামটাম কসমো কলেজে ৬০ জন, কাফকো স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৭ জন, রামুর রায়ু ক্যান্টনম ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজে ছয়জন এবং লিডার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে ছয়জন শিক্ষার্থীও শতভাগ উত্তীর্ণ হয়েছে।
এই ফলাফলগুলো শুধুমাত্র পাসের হার হ্রাসই নয়, সর্বোচ্চ গ্রেড (জিপিএ‑৫) অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও উল্লেখযোগ্য পতন নির্দেশ করে। ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার এবং জিপিএ‑৫-এ বড় হ্রাস একসাথে ঘটায় শিক্ষাঙ্গনে তীব্র আলোচনা ও সংশোধনী পদক্ষেপের দাবি উত্থাপিত হয়েছে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ‑৫-এ বিশাল পতন, পাসের হার রেকর্ড নিম্নে
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ফলাফলে শোচনীয় পতন দেখা গেছে; জিপিএ‑৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পাসের হার দুটোই গত বছরের তুলনায় সর্বনিম্ন রেকর্ড করেছে।
গত বছর ৬,০৯৭ শিক্ষার্থী জিপিএ‑৫ পেয়েছিল, যেখানে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় মাত্র ২,৯২৯ শিক্ষার্থীই এই শীর্ষ গ্রেড অর্জন করেছে। এক বছরের ব্যবধানে ৩,১৬৮ শিক্ষার্থী কমে এই হ্রাস অর্ধেকেরও বেশি হ্রাসকে নির্দেশ করে।
পাসের হারও নীচের দিকে গিয়ে ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ৫২.০৭ শতাংশে নেমে এসেছে। গত বছর এই হার ছিল ৫২.৫৭ শতাংশ, অর্থাৎ শূন্য দশমিক পাঁচ শূন্য শতাংশ পয়েন্টের হ্রাস। শনিবার প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
বোর্ডের অধীনে ১১৪টি কেন্দ্রে ২৮০টি কলেজের মোট ৯৬,৩৩৫ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ছেলেদের পাসের হার ৪৭.৬২ শতাংশ, আর মেয়েদের পাসের হার ৫৩.৮৯ শতাংশ, ফলে মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় ৬.২৭ শতাংশ পয়েন্ট বেশি উত্তীর্ণ হয়েছে।
জেলা ভিত্তিক ফলাফলেও বড় পার্থক্য দেখা যায়। খাগড়াছড়ি জেলার পাসের হার মাত্র ২৯.৮৫ শতাংশ, রাঙ্গামাটি ৩৩.২৪ শতাংশ এবং বান্দরবান ৪১.৪২ শতাংশ। বিপরীতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পাসের হার ৬৬.২০ শতাংশে শীর্ষে রয়েছে।
কলেজভিত্তিক ফলাফলে তিনটি প্রতিষ্ঠান শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে: চট্টগ্রামের মেরন সান কলেজ, সৃজনী ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং কক্সবাজারের বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এই তিন কলেজে মোট নয়জন শিক্ষার্থী অংশ নেন, তবে কেউই উত্তীর্ণ হয়নি।
অন্যদিকে ছয়টি কলেজে শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৩৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন এবং সবাই পাস করেছেন। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে ৪৪ জন, কোয়ামটাম কসমো কলেজে ৬০ জন, কাফকো স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৭ জন, রামুর রায়ু ক্যান্টনম ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজে ছয়জন এবং লিডার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে ছয়জন শিক্ষার্থীও শতভাগ উত্তীর্ণ হয়েছে।
এই ফলাফলগুলো শুধুমাত্র পাসের হার হ্রাসই নয়, সর্বোচ্চ গ্রেড (জিপিএ‑৫) অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও উল্লেখযোগ্য পতন নির্দেশ করে। ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার এবং জিপিএ‑৫-এ বড় হ্রাস একসাথে ঘটায় শিক্ষাঙ্গনে তীব্র আলোচনা ও সংশোধনী পদক্ষেপের দাবি উত্থাপিত হয়েছে।
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
বাড়ি নং ৭৬৩, রোড নং ১, পশ্চিম নাখালপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
মতামত