কমনওয়েলথের সমর্থনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: হুমায়ুন কবিরের আহ্বান
হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশের পার্টি-টাইম পার্সোনেল, কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সমন্বিত সমর্থন চেয়েছেন রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য এবং একই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী শান্তি, নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন।
৩ নভেম্বর মঙ্গলবার অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার রাজধানী সেন্ট জনসে আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব অ্যান্টিগুয়ায় (এইউএ) অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের রিট্রিট অধিবেশনে হুমায়ুন কবির তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, জটিল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কমনওয়েলথের সদস্য দেশগুলোকে শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা এবং উদীয়মান প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারসহ বহু ক্ষেত্রে নতুন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
বিশেষভাবে তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় 'লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড'ের কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন এবং কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়াতে সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে কমনওয়েলথের সমষ্টিগত সমর্থন অপরিহার্য। তিনি এ বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে তুলে ধরেছেন।
১ থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলনে (CHOGM) বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন হুমায়ুন কবির, যেখানে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ বহুমুখী বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হবে।
কমনওয়েলথের সমন্বিত উদ্যোগ ও সমর্থনের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন এবং বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের পথে বাংলাদেশ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, এটাই হুমায়ুন কবিরের শেষ বক্তব্য।