নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি দাবিতে সংঘর্ষ, ১২ পুলিশ আহত
নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি দাবিতে সংঘর্ষ, ১২ পুলিশ আহত
নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০,০০০ টাকার দাবিতে অনুষ্ঠিত আন্দোলনে পুলিশ ও শ্রমিকের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিঙ্ক রোডের ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকায় অবরোধের পর উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা এবং যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
দুপুর ৩ টায় শ্রমিকরা শিবু মার্কেটের লিঙ্ক রোড অবরোধ করে সড়কের দুইপাশে যানবাহনের চলাচল বন্ধ করে দেয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর, সন্ধ্যা ৫ টায় পুলিশ অবরোধ ভাঙতে পদক্ষেপ নেয় এবং সড়কে পুনরায় গাড়ি চলাচল শুরু হয়। তবে অবরোধ ভাঙার সময়ই শ্রমিকরা টায়ার ও গাড়ির বডি ভাঙে, যা পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে।
শিল্প পুলিশ-৪ এর সুপারিনটেন্ডেন্ট আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, সকাল থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও দুপুরের পর বৃহৎ সংখ্যক শ্রমিকের স্রোত থামানো সম্ভব হয়নি। তারা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে লিঙ্ক রোডে অবরোধ চালিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত, সন্ধ্যায় টিয়ারশেল নিক্ষেপের মাধ্যমে অবরোধ ভেঙে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করা হয় এবং সড়কে স্বাভাবিক যানবাহন চলাচল পুনরায় শুরু হয়।
অভিযুক্তদের মধ্যে ১০ থেকে ১২ জন পুলিশ সদস্য ইটপাকেলে আহত হয়েছে এবং চার থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। আহতদের নাম ও পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত মিডিয়ার রিপোর্ট অনুসারে, শিবু মার্কেটের এই সংঘর্ষে শ্রমিক ও পুলিশ উভয়েরই শারীরিক ক্ষতি হয়েছে, তবে দ্রুত পুলিশি পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।
এই ঘটনা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি দাবির সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রশ্ন উত্থাপন করেছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়িয়েছে যে, শ্রমিকদের বৈধ দাবিকে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা উচিত।
নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি দাবিতে সংঘর্ষ, ১২ পুলিশ আহত
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০,০০০ টাকার দাবিতে অনুষ্ঠিত আন্দোলনে পুলিশ ও শ্রমিকের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিঙ্ক রোডের ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকায় অবরোধের পর উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা এবং যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
দুপুর ৩ টায় শ্রমিকরা শিবু মার্কেটের লিঙ্ক রোড অবরোধ করে সড়কের দুইপাশে যানবাহনের চলাচল বন্ধ করে দেয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর, সন্ধ্যা ৫ টায় পুলিশ অবরোধ ভাঙতে পদক্ষেপ নেয় এবং সড়কে পুনরায় গাড়ি চলাচল শুরু হয়। তবে অবরোধ ভাঙার সময়ই শ্রমিকরা টায়ার ও গাড়ির বডি ভাঙে, যা পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে।
শিল্প পুলিশ-৪ এর সুপারিনটেন্ডেন্ট আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, সকাল থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও দুপুরের পর বৃহৎ সংখ্যক শ্রমিকের স্রোত থামানো সম্ভব হয়নি। তারা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে লিঙ্ক রোডে অবরোধ চালিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত, সন্ধ্যায় টিয়ারশেল নিক্ষেপের মাধ্যমে অবরোধ ভেঙে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করা হয় এবং সড়কে স্বাভাবিক যানবাহন চলাচল পুনরায় শুরু হয়।
অভিযুক্তদের মধ্যে ১০ থেকে ১২ জন পুলিশ সদস্য ইটপাকেলে আহত হয়েছে এবং চার থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। আহতদের নাম ও পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত মিডিয়ার রিপোর্ট অনুসারে, শিবু মার্কেটের এই সংঘর্ষে শ্রমিক ও পুলিশ উভয়েরই শারীরিক ক্ষতি হয়েছে, তবে দ্রুত পুলিশি পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।
এই ঘটনা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি দাবির সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রশ্ন উত্থাপন করেছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়িয়েছে যে, শ্রমিকদের বৈধ দাবিকে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা উচিত।
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
বাড়ি নং ৭৬৩, রোড নং ১, পশ্চিম নাখালপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
মতামত