প্রিন্ট এর তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
ব্যালন ডি’অরে হ্যারি কেনের জয়: শেকড়ে টটেনহ্যাম, শীর্ষে বিশ্ব
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে অনুষ্ঠিত জমকালো ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ড হ্যারি কেনের নাম শীর্ষে উঁকি দিল। ১৭ বছর আগে টটেনহ্যামের তরুণ খেলোয়াড় হিসেবে লন্ডন থেকে ক্যারিয়ার শুরু করা কেন, আজ বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে দাঁড়িয়ে 'বর্ষসেরা' পুরস্কার গ্রহণ করে শিকড়কে অমলিন রাখছেন।
ব্যালন ডি’অরের পুরুষ ও নারী শীর্ষ পুরস্কার একসাথে ঘোষণা করা হয়। স্পেনের অ্যালেক্সিয়া পুতেল্লাস নারী বর্ষসেরা হয়ে গর্বিত হন, আর পুরুষ বর্ষসেরা পুরস্কারটি ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনাল্ডো নাজারিয়োর হাতে থেকে হ্যারি কেনের হাতে পৌঁছায়। রোনাল্ডো নাম ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গে ৩৩ বছর বয়সী ইংলিশ ফরোয়ার্ডের চোখে অশ্রু, যা তার দীর্ঘায়িত পরিশ্রমের প্রতিফলন।
কেনের জয়ের পেছনে ২০২৫/২৬ মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখে অসামান্য পারফরম্যান্স এবং ইংল্যান্ডের হয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন উল্লেখযোগ্য। জার্মান ক্লাবের সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনাল, বুন্দেসলিগা শিরোপা এবং ৬৫ ম্যাচে ৭৩ গোল ও ৮টি অ্যাসিস্টের রেকর্ড তাকে ব্যালন ডি’অরের যোগ্য প্রার্থী করে তুলেছে।
পুরস্কার গ্রহণের সময় কেন বায়ার্ন মিউনিখের সহকর্মী খেলোয়াড়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, "আপনাদের সমর্থন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া এই সাফল্য সম্ভব হতো না। ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য গর্বের বিষয়।" তিনি ক্লাবের জন্য এই সম্মান ফিরিয়ে আনার আনন্দও ভাগ করে নেন।
ইংল্যান্ডের জাতীয় দল কোচ থমাস টুখেল এবং দলের সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, "যদিও জার্মান ক্লাব এবং থ্রি লায়ন্সের সহায়তা বড় ভূমিকা রেখেছে, তবে আমার শিকড় কখনো ভুলিনি।" টটেনহ্যাম থেকে শুরু করা তার পথ, লন্ডনের ক্লাবের প্রশিক্ষক ও সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, "টটেনহ্যাম না থাকলে আমি আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে পারতাম না।"
কেন শেষ করে বলেন, "বায়ার্ন মিউনিখ, ইংল্যান্ড ও টটেনহ্যামের ভক্তরা, এবং বিশ্বজুড়ে যারা আমাকে সমর্থন করেন, সবাইকে আমি ভালোবাসি। ভক্তদের কাছে আমি এখন ফুটবলের আরেকটি অর্থ হয়ে গেছি।"
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন
কপিরাইট © ২০২৬ করাপশন নিউজ বিডি ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত