প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘উই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বাস্তবায়নের তাগিদে সরকার প্রশাসনের গতি বাড়াতে অতিরিক্ত সচিব পদে বিশাল পদোন্নতি চালু করেছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গতি না পেয়ে হিমশিম খাচ্ছেন কিছু কর্মকর্তা; এ পরিস্থিতি বদলাতে ‘পাওয়ার হাউস’ নামে পরিচিত উচ্চপর্যায়ের নির্বাচন কমিশন (এসএসবি) এখন ৩৫০েরও বেশি যুগ্মসচিবের নথি পর্যালোচনা করছে.
সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড (এসএসবি) ইতিমধ্যে অতীত পোস্টিং রেকর্ড, কর্মদক্ষতা এবং যোগ্যতা যাচাই করে শোর্টলিস্ট প্রস্তুত করেছে। চূড়ান্ত তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়ে অনুমোদনের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জিও জারি করবে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী জানিয়েছেন, পদোন্নতির প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং মেধাবী ও যোগ্য কর্মকর্তাদেরই সুযোগ দেওয়া হবে.
প্রশাসনে নিয়মিত ব্যাচ হিসেবে ২১টি বিসিএস ব্যাচকে লক্ষ্য করে সরকার এই পদোন্নতি দিচ্ছে। ২০০৩ সালে যোগদান করা এই ক্যাডারের ১৭০ জনের তথ্য বিবেচনা করা হয়েছে; অতিরিক্ত ২০ ব্যাচের দেড় শতাধিক লেফট‑আউটও তালিকায় রয়েছে। গত বছরের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অতিরিক্ত সচিব পদে ১১৮ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল, ফলে ২০ ব্যাচের প্রায় ১৮০ কর্মকর্তা বঞ্চিত হয়েছিল। এখন আবার ৩৫০েরও বেশি কর্মকর্তার ওপর ব্যাপক যাচাই-বাছাই চলছে.
পদোন্নতির আশায় কর্মকর্তারা এসএসবি সদস্যদের কাছে গিয়ে সালাম বিনিময়, পরিচয় প্রদান এবং দোয়া চাচ্ছেন। কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সংযোগের কথাও উত্থাপিত হয়েছে; তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, যোগ্যতা ও দক্ষতা ছাড়া কোনো দলীয় বিবেচনা পদোন্নতির মূল উদ্দেশ্যকে ক্ষুন্ন করবে.
প্রশাসন বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়া উল্লেখ করেছেন, ‘যাচাই‑বাছাইয়ের নামে দলীয় পছন্দ না করে, মেধা ও দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে; না হলে প্রশাসন সংকটে পড়বে’। অতিরিক্ত সচিবের বর্তমান সংখ্যা প্রায় ৪০০, যার মধ্যে অনেকই অবসরে যাচ্ছেন; ফলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উইংয়ে শূন্যতা দেখা দিচ্ছে। সরকার যদি সঠিকভাবে পদোন্নতি সম্পন্ন করে, তবে কর্মকর্তাদের কাজের উদ্দীপনা বাড়বে এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গতি আসবে.

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘উই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বাস্তবায়নের তাগিদে সরকার প্রশাসনের গতি বাড়াতে অতিরিক্ত সচিব পদে বিশাল পদোন্নতি চালু করেছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গতি না পেয়ে হিমশিম খাচ্ছেন কিছু কর্মকর্তা; এ পরিস্থিতি বদলাতে ‘পাওয়ার হাউস’ নামে পরিচিত উচ্চপর্যায়ের নির্বাচন কমিশন (এসএসবি) এখন ৩৫০েরও বেশি যুগ্মসচিবের নথি পর্যালোচনা করছে.
সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড (এসএসবি) ইতিমধ্যে অতীত পোস্টিং রেকর্ড, কর্মদক্ষতা এবং যোগ্যতা যাচাই করে শোর্টলিস্ট প্রস্তুত করেছে। চূড়ান্ত তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়ে অনুমোদনের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জিও জারি করবে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী জানিয়েছেন, পদোন্নতির প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং মেধাবী ও যোগ্য কর্মকর্তাদেরই সুযোগ দেওয়া হবে.
প্রশাসনে নিয়মিত ব্যাচ হিসেবে ২১টি বিসিএস ব্যাচকে লক্ষ্য করে সরকার এই পদোন্নতি দিচ্ছে। ২০০৩ সালে যোগদান করা এই ক্যাডারের ১৭০ জনের তথ্য বিবেচনা করা হয়েছে; অতিরিক্ত ২০ ব্যাচের দেড় শতাধিক লেফট‑আউটও তালিকায় রয়েছে। গত বছরের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অতিরিক্ত সচিব পদে ১১৮ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল, ফলে ২০ ব্যাচের প্রায় ১৮০ কর্মকর্তা বঞ্চিত হয়েছিল। এখন আবার ৩৫০েরও বেশি কর্মকর্তার ওপর ব্যাপক যাচাই-বাছাই চলছে.
পদোন্নতির আশায় কর্মকর্তারা এসএসবি সদস্যদের কাছে গিয়ে সালাম বিনিময়, পরিচয় প্রদান এবং দোয়া চাচ্ছেন। কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সংযোগের কথাও উত্থাপিত হয়েছে; তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, যোগ্যতা ও দক্ষতা ছাড়া কোনো দলীয় বিবেচনা পদোন্নতির মূল উদ্দেশ্যকে ক্ষুন্ন করবে.
প্রশাসন বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়া উল্লেখ করেছেন, ‘যাচাই‑বাছাইয়ের নামে দলীয় পছন্দ না করে, মেধা ও দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে; না হলে প্রশাসন সংকটে পড়বে’। অতিরিক্ত সচিবের বর্তমান সংখ্যা প্রায় ৪০০, যার মধ্যে অনেকই অবসরে যাচ্ছেন; ফলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উইংয়ে শূন্যতা দেখা দিচ্ছে। সরকার যদি সঠিকভাবে পদোন্নতি সম্পন্ন করে, তবে কর্মকর্তাদের কাজের উদ্দীপনা বাড়বে এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গতি আসবে.

মতামত