ফকির আহমদ (৫০), নোয়াখালীর সেনবাগ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের একজন দিনমজুর, ঋণ নিয়ে গাভি কিনেছিলেন এবং তা তার পরিবারের একমাত্র অর্থনৈতিক সম্বল ছিল। গাভি বাছুরের পর থেকে তিনি প্রতিদিন প্রায় তিন কেজি দুধ বাজারে বিক্রি করে গৃহস্থালীর খরচ মেটাতেন।
কিন্তু রোববার দুপুরে, গাভি ঘাস খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে বৈদ্যুতিক খুঁটির ছেঁড়া তারে জড়িয়ে মারা যায়। ফকির আহমদ কাঁদতে কাঁদতে বলেন, "গাভিটি ছিল আমার একমাত্র সম্বল, এখন আমি দিশাহারা"। গাভির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা, যা তিনি একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে কিনেছিলেন; মাসিক কিস্তি ১১ হাজার টাকা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, গাভি বাড়ির সামনের বিদ্যুৎ খুঁটির সঙ্গে সংযুক্ত একটি ছেঁড়া তারের সংস্পর্শে আসে, যা কোনো নজরে না আসায় দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী আবুল বাশার জানান, গাভি ছেঁড়া তারে স্পর্শের পর দ্রুত শক পায় এবং মৃত্যুবরণ করে; একই সময়ে গাভির বাছুরও গাভির দিকে এগিয়ে যায়, ফলে ফকির আহমদ দ্রুত লোকজনকে ডাকলেও গাভি ইতিমধ্যে মারা যায়।
স্থানীয় মানুষ অভিযোগ করেছে যে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের গাফিলতি এই দুঃখজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা ফকিরের পরিবারকে সহায়তা করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও ধনী ব্যক্তিদের কাছে সাহায্য চেয়েছে। নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপমহাব্যবস্থাপক মিনারুল ইসলাম জানান, ছেঁড়া তারের বিষয়টি আগে কেউ জানাতে ব্যর্থ হওয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি; দুর্ঘটনা ঘটার পর তারা ছেঁড়া তারটি অপসারণ করেছে।
এই ঘটনায় গ্রামীণ পরিবারের জীবনের ঝুঁকি ও বিদ্যুৎ নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি উন্মোচিত হয়েছে। গাভি হারিয়ে ফকির আহমদ ও তার পরিবার এখন আর্থিক দিক থেকে অনিশ্চিত অবস্থায়, যেখানে একসময় গাভি ছিল তাদের একমাত্র সমর্থন।
ফকির আহমদ (৫০), নোয়াখালীর সেনবাগ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের একজন দিনমজুর, ঋণ নিয়ে গাভি কিনেছিলেন এবং তা তার পরিবারের একমাত্র অর্থনৈতিক সম্বল ছিল। গাভি বাছুরের পর থেকে তিনি প্রতিদিন প্রায় তিন কেজি দুধ বাজারে বিক্রি করে গৃহস্থালীর খরচ মেটাতেন।
কিন্তু রোববার দুপুরে, গাভি ঘাস খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে বৈদ্যুতিক খুঁটির ছেঁড়া তারে জড়িয়ে মারা যায়। ফকির আহমদ কাঁদতে কাঁদতে বলেন, "গাভিটি ছিল আমার একমাত্র সম্বল, এখন আমি দিশাহারা"। গাভির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা, যা তিনি একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে কিনেছিলেন; মাসিক কিস্তি ১১ হাজার টাকা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, গাভি বাড়ির সামনের বিদ্যুৎ খুঁটির সঙ্গে সংযুক্ত একটি ছেঁড়া তারের সংস্পর্শে আসে, যা কোনো নজরে না আসায় দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী আবুল বাশার জানান, গাভি ছেঁড়া তারে স্পর্শের পর দ্রুত শক পায় এবং মৃত্যুবরণ করে; একই সময়ে গাভির বাছুরও গাভির দিকে এগিয়ে যায়, ফলে ফকির আহমদ দ্রুত লোকজনকে ডাকলেও গাভি ইতিমধ্যে মারা যায়।
স্থানীয় মানুষ অভিযোগ করেছে যে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের গাফিলতি এই দুঃখজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা ফকিরের পরিবারকে সহায়তা করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও ধনী ব্যক্তিদের কাছে সাহায্য চেয়েছে। নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপমহাব্যবস্থাপক মিনারুল ইসলাম জানান, ছেঁড়া তারের বিষয়টি আগে কেউ জানাতে ব্যর্থ হওয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি; দুর্ঘটনা ঘটার পর তারা ছেঁড়া তারটি অপসারণ করেছে।
এই ঘটনায় গ্রামীণ পরিবারের জীবনের ঝুঁকি ও বিদ্যুৎ নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি উন্মোচিত হয়েছে। গাভি হারিয়ে ফকির আহমদ ও তার পরিবার এখন আর্থিক দিক থেকে অনিশ্চিত অবস্থায়, যেখানে একসময় গাভি ছিল তাদের একমাত্র সমর্থন।
নির্বাহী সম্পাদক: মাহমুদুর রশিদ । নিউজ এডিটর: ফিরোজ কাদির শাওন । আইন উপদেষ্টা: সিরাজুল ইসলাম অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
বাড়ি নং ৭৬৩, রোড নং ১, পশ্চিম নাখালপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
মতামত