Corruption News BD

মূল পাতা

জাতীয়

বিচ্ছিন্নতায় নয়, জাতীয় সম্পৃক্ততায় বিশ্বাস করতে হবে পাহাড়িদের

প্রকাশ : ০২ মে ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
বিচ্ছিন্নতায় নয়, জাতীয় সম্পৃক্ততায় বিশ্বাস করতে হবে পাহাড়িদের

ফারাক্কা লংমার্চের প্রেক্ষাপট ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ

শাহবাগে সমাবেশের ডাক জুলাই ঐক্যের

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, বিচ্ছিন্নতায় নয়, জাতীয় সম্পৃক্ততায় বিশ্বাস করতে হবে পাহাড়িদের। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রশ্নে কোনো আপস করা চলবে না। দেশের সকল নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করবেন। এ ভূখণ্ডের বাসিন্দাদের একটাই পরিচয় হবে ‘বাংলাদেশি’। 

Advertisement

শনিবার বিকালে মহাখালিস্থ এসকেএস টাওয়ার মিলনায়তনে স্বাধীনতা সুরক্ষা পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের উগ্রপন্থী সংগঠনগুলোর স্বায়ত্তশাসনের দাবি, বিরাজমান সমস্যা ও সমাধানের উপায়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব বলেন।

লে. কর্নেল ফরিদুল আকবরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন রিয়ার এডমিরাল মুস্তাফিজুর রহমান, লে. জেনারেল (অব.) মতিউর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল লতিফ মাসুম, ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, লে কর্নেল (অব.) শাহদাত হোসেন, মেজর (অব.)সারোয়ার হোসেন, লে. কর্নেল (অব.) হাফিজুর রহমান বীরপ্রতীক, লে. কর্নেল (অব.) ফেরদৌস আজিজ প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মোস্তফা আল ইহযায।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সম্পদ সমৃদ্ধ পার্বত্য চট্টগ্রাম। আঞ্চলিকভাবে ভূ-রাজনৈতিক, ভূ-কৌশলগত, দৃষ্টিকোণ থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভৌগলিক এলাকা। মানচিত্রের উপর চোখ বুলালে বুঝা যায় যে, ভূ-খন্ডটি নিছক একটি ভৌগলিক অঞ্চলই নয়, উত্তরে ভারতের অংশ বিশেষসহ চীন, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং উত্তর-পূর্বে ভারতের বিতর্কিত ও বিদ্রোহী এলাকা এবং পূর্বে মায়ানমার- এসব কিছু মিলিয়ে তা একটি স্ট্রাটেজিক ইউনিটের রূপ ধারণ করে। যারফলে এ অঞ্চলটি অত্যন্ত স্পর্শ কাতর।আঙ্গরপোতা, ছিটমহল, বেরুবাড়ির দিকে যাদের লোলুপ দৃষ্টি পড়েছিল, তারাই পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর জীবন দিয়ে এই পার্বত্য চট্টগ্রামকে রক্ষা করেছে।

সাংবাদিকদের এ নেতা বলেন, ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণকালের সবচেয়ে বিতর্কিত পার্বত্য চট্টগ্রাম সংক্রান্ত শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়।। এই চুক্তি সংবিধান বিরোধী, দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিরোধী, গণতন্ত্র - মৌলিক অধিকার - সমতা-সমসুযোগ বিরোধী।

তিনি বলেন, শান্তিচুক্তির কিছুধারা বৈষম্যমূলকও। যেমন পার্বত্য চট্টগ্রামের যে কেউ সমতল ভূমিতে জমি ক্রয় করে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারলেও সমতল ভূমির কেউ পার্বত্য চট্টগ্রামে জমি ক্রয় করে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারবেন না। চুক্তির এ ধারাটি বাংলাদেশের সংবিধানবিরোধী। এধারার মাধ্যমে নাগরিক হিসাবে বাঙালিদের মৌলিক অধিকার হরণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Corruption News BD

রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


বিচ্ছিন্নতায় নয়, জাতীয় সম্পৃক্ততায় বিশ্বাস করতে হবে পাহাড়িদের

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৫

featured Image


ফারাক্কা লংমার্চের প্রেক্ষাপট ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ

শাহবাগে সমাবেশের ডাক জুলাই ঐক্যের

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, বিচ্ছিন্নতায় নয়, জাতীয় সম্পৃক্ততায় বিশ্বাস করতে হবে পাহাড়িদের। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রশ্নে কোনো আপস করা চলবে না। দেশের সকল নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করবেন। এ ভূখণ্ডের বাসিন্দাদের একটাই পরিচয় হবে ‘বাংলাদেশি’। 

Advertisement

শনিবার বিকালে মহাখালিস্থ এসকেএস টাওয়ার মিলনায়তনে স্বাধীনতা সুরক্ষা পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের উগ্রপন্থী সংগঠনগুলোর স্বায়ত্তশাসনের দাবি, বিরাজমান সমস্যা ও সমাধানের উপায়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব বলেন।

লে. কর্নেল ফরিদুল আকবরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন রিয়ার এডমিরাল মুস্তাফিজুর রহমান, লে. জেনারেল (অব.) মতিউর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল লতিফ মাসুম, ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, লে কর্নেল (অব.) শাহদাত হোসেন, মেজর (অব.)সারোয়ার হোসেন, লে. কর্নেল (অব.) হাফিজুর রহমান বীরপ্রতীক, লে. কর্নেল (অব.) ফেরদৌস আজিজ প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মোস্তফা আল ইহযায।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সম্পদ সমৃদ্ধ পার্বত্য চট্টগ্রাম। আঞ্চলিকভাবে ভূ-রাজনৈতিক, ভূ-কৌশলগত, দৃষ্টিকোণ থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভৌগলিক এলাকা। মানচিত্রের উপর চোখ বুলালে বুঝা যায় যে, ভূ-খন্ডটি নিছক একটি ভৌগলিক অঞ্চলই নয়, উত্তরে ভারতের অংশ বিশেষসহ চীন, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং উত্তর-পূর্বে ভারতের বিতর্কিত ও বিদ্রোহী এলাকা এবং পূর্বে মায়ানমার- এসব কিছু মিলিয়ে তা একটি স্ট্রাটেজিক ইউনিটের রূপ ধারণ করে। যারফলে এ অঞ্চলটি অত্যন্ত স্পর্শ কাতর।আঙ্গরপোতা, ছিটমহল, বেরুবাড়ির দিকে যাদের লোলুপ দৃষ্টি পড়েছিল, তারাই পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর জীবন দিয়ে এই পার্বত্য চট্টগ্রামকে রক্ষা করেছে।

সাংবাদিকদের এ নেতা বলেন, ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণকালের সবচেয়ে বিতর্কিত পার্বত্য চট্টগ্রাম সংক্রান্ত শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়।। এই চুক্তি সংবিধান বিরোধী, দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিরোধী, গণতন্ত্র - মৌলিক অধিকার - সমতা-সমসুযোগ বিরোধী।

তিনি বলেন, শান্তিচুক্তির কিছুধারা বৈষম্যমূলকও। যেমন পার্বত্য চট্টগ্রামের যে কেউ সমতল ভূমিতে জমি ক্রয় করে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারলেও সমতল ভূমির কেউ পার্বত্য চট্টগ্রামে জমি ক্রয় করে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারবেন না। চুক্তির এ ধারাটি বাংলাদেশের সংবিধানবিরোধী। এধারার মাধ্যমে নাগরিক হিসাবে বাঙালিদের মৌলিক অধিকার হরণ করা হয়েছে।


Corruption News BD

সম্পাদক
মুহাম্মদ রহমত উল্যাহ
সহযোগী সম্পাদক
রাবেয়া বেগম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
রাসেল মো. শাহেদ হোসেন

কপিরাইট © ২০২৬ Corruption News BD । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত